kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

ধামরাইয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শন

নিয়মনীতির বালাই নেই বেইজ পেপারস মিলে

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি   

৮ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেয়াদোত্তীর্ণ পরিবেশ ছাড়পত্র দিয়েই চলছিল ঢাকার ধামরাইয়ে বেইজ পেপারস লিমিটেড কারখানা। ইটিপি স্লাজ রক্ষণাবেক্ষণের নেই পরিবেশসম্মত ব্যবস্থা। নিয়মের বাইরে গিয়ে বাইপাস লাইন তৈরি করা হয়েছে। দূষিত বর্জ্য পাশের কৃষিজমিতে ফেলে ফসল ও পরিবেশের ক্ষতি করা হচ্ছে। ইটিপির ইনলেট ও আউটলেট ফ্লু মিটারও নেই।

এসব অনিয়ম ধরা পড়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট বিভাগ। গতকাল মঙ্গলবার অধিদপ্তরের একটি দল ওই কারখানা পরিদর্শন করে। কারখানা কর্তৃপক্ষ তখন পরিদর্শনদলকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতেও ব্যর্থ হয়। মূলত নিয়মনীতির বালাই ছিল না কারখানাটিতে।

পরিদর্শনদলের নেতৃত্বে ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকার সহকারী পরিচালক এ কে এম হাসানুর রহমান পলাশ। সঙ্গে ছিলেন পরিদর্শক মির্জা আসাদুল কিবরিয়া ও নমুনা সংগ্রহকারী কামাল উদ্দিন।

পরিদর্শনদল জানায়, পরিদর্শনকালে ইটিপি বন্ধ পায় তারা। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে কারখানার ইটিপির অপারেটর আবু সাইদ দৌড়ে গিয়ে ইটিপি চালু করেন। তা ছাড়া অতিরিক্ত একটি বাইপাস পাইপ লাইন দিয়ে খোলা জায়গার একটি পুকুরে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এই বর্জ্য ফসলি জমিতে গিয়ে জমির উর্বরা শক্তি বিনষ্ট করছে। এই বর্জ্যের দূষিত পানি বিলের পানির সঙ্গে মিশে পরিবেশের ক্ষতি করছে। তা ছাড়া গাজীখালী নদীর শাখা নদীতে বর্জ্য ফেলার কথা স্বীকারও করেছেন কারখানার জি এম নজরুল ইসলাম।

সহকারী পরিচালক এ কে এম হাসানুর রহমান বলেন, কারখানার তরল বর্জের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষকে শুনানির জন্য ডাকা হবে। তাদের ব্যাখা নেওয়ার পর জরিমানা ধার্য করা হবে।

এদিকে স্থানীয়রা জানায়, বেইজ পেপারস মিলের বর্জ্যমিশ্রিত দূষিত পানির গন্ধে তাদের থাকাই দায়। শুষ্ক মৌসুমে নদীপাড়ে গোপালকৃষ্ণপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নাক চেপে ক্লাস করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা