kalerkantho

রবিবার । ৯ কার্তিক ১৪২৭। ২৫ অক্টোবর ২০২০। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

আদাবর ও রায়েরবাজার

শিশুর গলা কাটা লাশ উদ্ধার, সাবেক স্বামীর হাতে তরুণী খুন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর আদাবর এলাকা থেকে গতকাল শুক্রবার পাঁচ বছরের এক শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই দিন রায়েরবাজার এলাকায় সাবেক স্বামীর ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন এক তরুণী।

আদাবর থানার ওসি কাজী শাহিদুজ্জামান ও এলাকাবাসী জানায়, আদাবর বাজারের পানির পাম্পসংলগ্ন বাসায় মা-বাবার সঙ্গে থাকত শিশু সাদিয়া। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে সাদিয়ার বাবা শাজাহান কাজে বেরিয়ে যান। পরে মা তাঁর কক্ষে গিয়ে দেখেন সাদিয়ার রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন সেখানে ছুটে যায়। এ ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে সিআইডির ক্রাইম সিন আলামত সংগ্রহ করেছে।

রায়েরবাজারের মেকআপ রোড এলাকার একটি বাসায় গতকাল সকালে খুন হওয়া নারীর নাম ঝর্ণা আক্তার (২৬)। হত্যায় অভিযুক্ত ঝর্ণার সাবেক স্বামী মোহাম্মদ সোহাগ (২৯) ঘটনার পর থেকে পলাতক। সোহাগের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচরে। ঝর্ণার বাড়ি বরিশালের মুলাদীতে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি আবদুল লতিফ বলেন, এক মাস আগে ঝর্ণা-সোহাগের  সংসার ভেঙে যায়। তাঁদের ঘরে ১১ ও ৪ বছর বয়সী দুটি মেয়ে রয়েছে। তাঁরা মেকআপ রোডে একটি বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর ঝর্ণা বাসাটিতেই থেকে যান। সঙ্গে ঝর্ণার মা, নানি ও মেয়েরা থাকতেন। পেশায় সবজি বিক্রেতা সোহাগ ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর অন্য জায়গায় চলে যান। গতকাল সকালে সোহাগ ঝর্ণার বাসায় যান। দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে রান্নাঘর থেকে শিল এনে ঝর্ণার মাথায় আঘাত এবং তাঁকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন সোহাগ। ঘটনাস্থলেই ঝর্ণার মৃত্যু হয়। ছুরিটি ফেলে দিয়ে সোহাগ পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় ঝর্ণার পরিবার সোহাগকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেছে। অভিযুক্ত সোহাগকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা