kalerkantho

মঙ্গলবার  । ২০ শ্রাবণ ১৪২৭। ৪ আগস্ট  ২০২০। ১৩ জিলহজ ১৪৪১

ফতুল্লায় আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ৪

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

৭ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত আটজন আহত হয়েছে। পুলিশ উভয় গ্রুপের দুজন করে চারজনকে গ্রেপ্তার করে পাল্টাপাল্টি মামলা নিয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে মামলা গ্রহণ করে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মোবারক হোসেন ও ফতুল্লা ইউনিয়ন ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সমর্থিত গ্রুপ শুক্রবার রাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তারা এলাকার সাধারণ লোকজনের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এ সময় এলাকাবাসী বাসাবাড়ির বাতি নিভিয়ে চিৎকার করতে থাকে। তখন পুলিশ এসে ধাওয়া করে মোবারক হোসেন (৪৮), তার সহযোগী রাতুল (১৫) এবং ওমর ফারুক (৫৫) ও তার মেয়ে মাহমুদু আক্তার সীমাকে (১৯) গ্রেপ্তার করে পরিস্থিতি শান্ত করে।

এলাকাবাসী জানায়, মোবারক ও ওমর ফারুক এলাকায় পৃথক কিশোর গ্যাং তৈরি করে তাদের দিয়ে মাদক কারবারসহ নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। গলির ভেতরে আওয়ামী লীগের বড় নেতাদের পোস্টার সাঁটিয়ে দোকান ঘরে অফিস তৈরি করে সেখানে নানা ধরনের লোকজনদের ধরে এনে বিচার-সালিসির নামে নির্যাতনসহ মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে কিশোররা। এক গ্রুপের ধান্ধায় আরেক গ্রুপের বাধা পড়লেই সংঘর্ষে জড়ায় তারা।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরেই মোবারক হোসেন ও ওমর ফারুকের লোকজনদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের একাধিকবার সতর্ক করা হলেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে। উভয় পক্ষের শেল্টারদাতাদের গ্রেপ্তার করে পাল্টাপাল্টি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। মোবারকের পক্ষে মামলা করেছে মাসুদ খন্দকার নামে তাঁর এক আত্মীয়। এ মামলায় ওমর ফারুকসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্যদিকে ওমর ফারুক নিজেই বাদী হয়ে মোবারক হোসেনসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য