kalerkantho

বুধবার । ৩১ আষাঢ় ১৪২৭। ১৫ জুলাই ২০২০। ২৩ জিলকদ ১৪৪১

শ্যামনগরে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত ১৪ গ্রাম

কমলগঞ্জে দুই ইউনিয়নে বন্যা

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি   

৬ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শ্যামনগরে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত ১৪ গ্রাম

টানা তিন দিনের ভারি বৃষ্টিতে ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আদমপুর ও ইসলামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের ঝাপালী গ্রামে সংস্কারকাজ শেষ না হতেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বাঁধ আবার ভেঙে গেছে। এতে খোলপেটুয়া নদীর পানিতে প্লাবিত হয়েছে আশপাশের আটটি গ্রাম। ভেসে গেছে মাছের অনেক ঘের। খাবার পানির সংকটে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ।

কাশিমাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রউফ জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ঝাপালীর ফিংড়ীসংলগ্ন পাউবো বাঁধ ভেঙে যায়। স্থানীয়রা দীর্ঘ প্রচেষ্টায় কোনো রকমে সেটি মেরামত করেন। কিন্তু খোলপেটুয়া নদীতে অস্বাভাবিক জোয়ারের কারণে গতকাল ভোরে বাঁধটি আবার ভেঙে যায়। এতে নতুন করে প্লাবিত হয় দুটি ইউনিয়নের ১৪টি গ্রাম।

শ্যামনগর উপসহকারী প্রকৌশলী (এসডিই) রাশিদুর রহমান জানান, বাঁধ মেরামতে আট হাজার ‘জিও ব্যাগ’ ও ছয় হাজার ‘সিনথেটিক ব্যাগ’ সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু পানির গভীরতা বেশি হওয়ায় বাঁধ ভেঙে গেছে। এখন এটি সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে মেরামত করা হবে জানান তিনি।

এদিকে কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি জানান, টানা তিন দিনের ভারি বৃষ্টিতে ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে আদমপুর ও ইসলামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে অনেক রাস্তাঘাট। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক ফসলি জমি।

আদমপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দীন বলেন, পাহাড়ি ঢলে ও বৃষ্টির কারণে হঠাৎ করে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি পানিতে ডুবে গেছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন, ‘আমি সকালে খবর পেয়েছি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বলে দিয়েছি নজর রাখার জন্য। আশা করছি, বৃষ্টি না হলে পানি দ্রুত কমে যাবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা