kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ আষাঢ় ১৪২৭। ৭ জুলাই ২০২০। ১৫ জিলকদ  ১৪৪১

লিবিয়ায় মানবপাচার

ভৈরবে দুজনের স্বীকারোক্তি

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি   

৫ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লিবিয়ায় মুক্তিপণের দাবিতে জিম্মি করার পর গত ২৮ মে গুলি করে হত্যার শিকার ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ভৈরবের ছয় যুবক রয়েছেন। এ ঘটনার জের ধরে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে দায়ের হওয়া মামলায় র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া দালালদের মধ্যে দুজন মানবপাচারে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জিম্মিচক্রের হাতে নিহতদের স্বজন লিবিয়ায় মানবপাচারে জড়িত উল্লেখ করে ভৈরবে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাবের ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা গত বুধবার তিন দালালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডির কাছে হস্তান্তর করেন। গ্রেপ্তার ওই তিনজন হলেন ভৈরবের শম্ভুপুর এলাকার হেলাল উদ্দিন হেলু, তাতারকান্দি গ্রামের খবির উদ্দিন ও লক্ষ্মীপুর গ্রামের শহিদ মিয়া। তাঁদের মধ্যে হেলাল ও খবির গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে কিশোরগঞ্জ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। পুলিশের কোর্ট পরিদর্শক চৌধুরী মিজানুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বাহারুল আলম বাচ্চু নামের এক আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে সিআইডি। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে র‌্যাব তাঁদের গ্রেপ্তার করে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে র‌্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা তাঁদের গ্রেপ্তার করেন। এ নিয়ে ভৈরবে দায়ের করা মামলায় মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

লিবিয়ায় নিহত সাদ্দাম হোসেন আকাশের বড় ভাই মোবারক হোসেন বাদী হয়ে গত রবিবার সাতজনকে আসামি করে ভৈরব থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে ভৈরবের মানবপাচারকারী তানজিরুলকে প্রধান আসামি করা হয়।

লিবিয়ায় অপহরণ শেষে জিম্মিকারীদের গুলিতে ২৬ বাংলাদেশি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। তাঁদের মধ্যে ভৈরবের ছয়জন নিহত এবং তিনজন আহত হন। নিহতরা হলেন মোহাম্মদ আলী (২৫), মাহবুবুর রহমান (২১), রাজন চন্দ্র দাস (২৭), সাকিব মিয়া (১৮), সাদ্দাম হোসেন আকাশ (২৫) ও শাকিল (২০)। আহত অবস্থায় লিবিয়ায় চিকিৎসাধীন সোহাগ আহমেদ, সুজন মিয়া ও জানু মিয়া।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা