kalerkantho

সোমবার । ২৯ আষাঢ় ১৪২৭। ১৩ জুলাই ২০২০। ২১ জিলকদ ১৪৪১

আকাশ ভ্রমণে বাড়তি সতর্কতা

করোনা ‘আতঙ্কে’ যাত্রী মিলছে না বিমানে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



করোনা ‘আতঙ্কে’ যাত্রী মিলছে না বিমানে

উড়োজাহাজে পাশের আসন খালি রেখে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ বিমানবন্দরে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বাড়তি এসব সুরক্ষার মধ্যেও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে যাত্রী পাচ্ছে না বাংলাদেশ বিমানসহ এয়ারলাইনসগুলো। এতে লম্বা হচ্ছে ফ্লাইট বন্ধের তালিকা। করোনা ‘আতঙ্কে’ বাড়তি সতর্কতায় যাত্রীরা এখনো উড়োজাহাজমুখী হয়নি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।  

জানা গেছে, টিকিট বিক্রি না হওয়ায় যাত্রী সংকটে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় পতাকাবাহী বাংলাদেশ বিমানের অভ্যন্তরীণ সব রুটের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটে দুটি, সিলেটে দুটি ও সৈয়দপুরে তিনটি ফ্লাইট ঘোষণা করেছিল বিমান সংস্থাটি। তবে বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার থেকে ফ্লাইট সংখ্যা কমানো হবে। আগের সাতটি ফ্লাইট থেকে কমিয়ে সৈয়দপুর রুটে দুটি, সিলেট রুটে একটি এবং চট্টগ্রাম রুটে একটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ভাড়া আরো কমানোর চিন্তা করছে বিমান। এ ছাড়া বেসরকারি ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের দুটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। তবে বেসরকারি নভোএয়ারের কোনো ফ্লাইট বাতিল হয়নি।

করোনা দুর্যোগের কারণে অভ্যন্তরীণ রুটে ২৪ মার্চ থেকে বিমানের সব ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করা হয়। দীর্ঘ বিরতি শেষে গত সোমবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুর রুটে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি দেয় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

এক প্রশ্নের জবাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মোকাব্বির হোসেন গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘যাত্রীরা কেন বিমানে চড়ছে না সেটা বলা মুশকিল। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আশা করছি, এই সমস্যা কেটে যাবে।’ তিনি জানান, যাত্রী স্বল্পতার কারণে গতকালের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়। আগামীকাল যথারীতি সব ফ্লাইট চলবে।  নভোএয়ারের এমডি মফিজুর রহমান বলেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেন না অনেক যাত্রী। এ ছাড়া বিভিন্ন শহরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তেমন একটা চালু না থাকায় ফ্লাইটে যাত্রী কমেছে। তবে নভোএয়ারের কোনো ফ্লাইট বাতিল হয়নি।’

ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল ইউএস বাংলার অভ্যন্তরীণ তিনটি রুটে ১০টি ফ্লাইট ছিল। যাত্রী সংকটের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রামে বিকেল সোয়া ৩টা এবং সোয়া ৭টার দুটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এ দুটি ফ্লাইটের যাত্রীদের অন্য ফ্লাইটে পাঠানো হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ভ্রমণ করছে না। অনেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা