kalerkantho

রবিবার । ২৮ আষাঢ় ১৪২৭। ১২ জুলাই ২০২০। ২০ জিলকদ ১৪৪১

লিবিয়ায় চরম আতঙ্কে বাংলাদেশি শ্রমিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

৩০ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লিবিয়ায় চরম আতঙ্কে বাংলাদেশি শ্রমিকরা

লিবিয়ায় মানবপাচারকারী চক্রের গুলিতে ২৬ বাংলাদেশি নিহত হওয়ায় ঘটনায় চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের মধ্যে। কেউ কেউ আতঙ্কে  বাইরে যাওয়ার সাহস পাচ্ছেন না।

লিবিয়ার বানি ওয়ালিদ শহর থেকে একাধিক শ্রমিক কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, নিহতদের অনেকেই মাদারীপুর জেলার বাসিন্দা বলে শোনা যাচ্ছে। তবে তাঁরা নিশ্চিত নন।

লিবিয়ার বেনওয়ালিদ শহরের একটি সিরামিক কম্পানিতে চাকরি করেন রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার আমগাছী গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম। তিনি ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে কালের কণ্ঠকে জানান, তাঁরা  যে শহরে কাজ করেন, সেখান থেকে ঘটনাস্থল মিজদাহ শহর প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে। সম্ভবত যাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, তাঁদের বেনওয়ালিদ শহর হয়ে ত্রিপলিতে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ত্রিপলিতে যাওয়ার আগেই মিজদাহ শহরে এলোপাতাড়ি গুলি করে তাঁদের হত্যা করা হয়। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনার পর থেকে বাঙালি শ্রমিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সবাই কাজ শেষে বাসায় চলে যাচ্ছেন। ভয়ে রাস্তাঘাটে বের হচ্ছেন না।’

রফিকুল বলেন, ‘যত দূর জানতে পেরেছি, নিহতরা অনেকেই মাদারীপুর জেলার বাসিন্দা। কিন্তু কারো নাম-ঠিকানা সঠিকভাবে পাওয়া যায়নি। লিবিয়ায় অবস্থানরত বাঙালিরা জানার চেষ্টা করছেন। কিন্তু কেউই ঘরের বাইরে যাওয়ার সাহস পাচ্ছেন না।’

নওগাঁর জয়নাল হোসেন ও উজ্জল হোসেনও একই তথ্য দেন। তাঁরা জানান, বাঙালি শ্রমিকরা খুবই আতঙ্কে আছেন। নিহতদের বেশির ভাগই মাদারীপুরের বাসিন্দা বলে শোনা যাচ্ছে।

বগুড়ার মাসুম হোসেন বলেন, ‘বানি ওয়ালিদ শহরে আমরা প্রায় ১০০ বাঙালি শ্রমিক কাজ করি। ওই ঘটনার পর থেকে আমরা চরম আতঙ্কে আছি। আমার জানা মতে একসঙ্গে এত বাঙালি কখনো লিবিয়াতে মারা যায়নি।’ তিনি আরো বলেন, ‘লিবিয়ায় সাধারণত বাঙালিদের শ্রমিক হিসেবেই আনা হয়। তার পরও অনেকে অনেক পেশায় জড়িত আছেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার যাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়, তাঁরা সম্ভবত শ্রমিক হিসেবেই এসেছিলেন।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা