kalerkantho

শনিবার । ২৭ আষাঢ় ১৪২৭। ১১ জুলাই ২০২০। ১৯ জিলকদ ১৪৪১

ভাঙ্গুড়ায় স্বামী-স্ত্রীর করোনা জয়

‘নিয়মিত গরম পানির ভাপ নিতাম’

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি   

২৯ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাবনার ভাঙ্গুড়ায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এক দম্পতি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বুধবার রাতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয়বার ওই দম্পতির নমুনা পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ আসে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার হালিমা খানম। ওই দম্পতি আলম ফকির ও শাকিলা পারভিন গাজীপুরফেরত পোশাককর্মী। তাঁরা ভাঙ্গুড়া উপজেলার মুণ্ডুতোষ ইউনিয়নের মল্লিকচক গ্রামের বাসিন্দা। গত এপ্রিল মাসের ২৮ তারিখে তাঁদের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এ উপজেলায় তাঁরাই ছিলেন প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী।

সূত্র জানায়, গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় ওই দম্পতি কাজ করতেন। গত ১৭ এপ্রিল তাঁরা ভাঙ্গুড়া এসে সামান্য অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর ২৩ এপ্রিল তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে পাঠানো হয় এবং ২৮ এপ্রিল ফলাফলে করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। ওই দিন উপজেলা প্রশাসন ওই দম্পতির বাড়ি লকডাউন করে দেয়। তবে তাঁদের শরীরে তেমন কোনো উপসর্গ না থাকায় শুধু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক। এরপর দ্বিতীয়বার নমুনা সংগ্রহ করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গত বুধবার রাতে দ্বিতীয়বারের ফলাফলে করোনা নেগেটিভ প্রকাশ পায়।

সুস্থ হয়ে উঠা শাকিলা পারভিন জানান, ‘আমাদের কখনোই গুরুতর কোনো অসুস্থতা ছিল না। তার পরও আমাদের শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়ে। এর পর থেকে আমাদের দুটি শিশুসন্তানকে শ্বশুর-শাশুড়ির কাছে রেখে একটি আবদ্ধ ঘরে এক মাস কাটিয়েছি। উপজেলা প্রশাসন ও আত্মীয়-স্বজন আমাদের নিয়মিত খোঁজখবর রেখেছে ও খাবারের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। ওষুধপত্র না খেলেও আমরা নিয়মিত গরম পানি দিয়ে গার্গল ও ভাপ নিতাম। এতে আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়ে উঠি।’ ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার হালিমা খানম জানান, তাঁদের গুরুতর কোনো উপসর্গ না থাকায় শুধু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলা হয়। তাঁরা নিয়মিত গরম পানি দিয়ে গার্গল করতেন, বিভিন্ন ভিটামিন ও পুষ্টিকর খাবার খেতেন, নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুতেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা