kalerkantho

বুধবার । ৮ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৫ সফর ১৪৪২

ঈদ জামাত নিয়ে ডিএমপির বিশেষ নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনা পরিস্থিতিতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। গতকাল শুক্রবার ডিএমপি কমিশনারের দেওয়া ওই নির্দেশনায় বলা হয়, ‘ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না। সেই সঙ্গে মসজিদের ওজুখানা ব্যবহার না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসস্থান থেকে ওজু করে মসজিদে আসতে হব।’

এতে আরো বলা হয়, করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে এবার ঈদগাহ বা উন্মুক্ত স্থানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে না। খোলা জায়গার পরিবর্তে ঈদের জামাত নিকটস্থ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামাতের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

এ ক্ষেত্রে ডিএমপির নির্দেশনাগুলো মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। নির্দেশনাগুলো হলো, ঈদের নামাজের জামাতের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে, ঈদের নামাজের জামাতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না, ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন, মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদে প্রবেশদ্বারে সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে, মসজিদের ওজুখানা ব্যবহার না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসস্থান থেকে ওজু করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে, ঈদের নামাজের জামাতে আসা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে, ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে, এক কাতার অন্তর অন্তর কাতারবদ্ধ হতে হবে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে মসজিদে জামাত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো থেকে বিরত থাকুন, মসজিদে শৃঙ্খলার সঙ্গে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার ক্ষেত্রে পৃথক ব্যবস্থা রাখার জন্য মসজিদ কমিটি, করোনা পরিস্থিতিতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাসায় যাতায়াত করা থেকে বিরত থাকতে হবে, ঈদের দিন ও পরবর্তী সময়ে বিনোদনকেন্দ্রে যাতায়াত না করে নিজ ঘরে অবস্থান করে পরিবারের সদস্যদের সাথে ঈদ উদ্‌যাপন করতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা