kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩০ আষাঢ় ১৪২৭। ১৪ জুলাই ২০২০। ২২ জিলকদ ১৪৪১

গাইবান্ধায় ১৩ জনের মৃত্যু

নিহতদের শনাক্ত করল স্বজনরা

ত্রিপল দিয়ে ঢেকে গোপনে রড বোঝাই ট্রাকে করে ঈদ উপলক্ষে বাড়ি ফিরছিলেন ওই ১৩ জন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

২৩ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে রংপুরগামী লোহার রডবাহী ট্রাক উল্টে নিহত তিন শিশুসহ ১৩ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টায় নিহতদের আত্মীয়-স্বজনরা গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানায় উপস্থিত হওয়ার পর সবার পরিচয় জানা যায়।

নিহতরা হলেন—পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের ছোট ভগবানপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে আব্দুল মোত্তালিব ওরফে মহসিন মিয়া (২৩), রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ঢোরাকান্দর গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে শামছুল আলম (৬৫) ও তাঁর নাতি একই গ্রামের সুমন মিয়ার ছেলে সোয়াইব (৭), একই উপজেলার ডাসারপাড়া গ্রামের এমদাদুল হকের ছেলে আবদুল হান্নান (১৮), একই গ্রামের মো. আনারুল ইসলামের ছেলে মনিরুল ইসলাম (২০), একই উপজেলার ষোলঘরিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে ইমরান মিয়া (২২), একই উপজেলার শানেরহাট বড় পাহাড়পুর গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে এরশাদ ওরফে রেলা (৩৫) এবং তাঁর ছেলে ওবায়দুল (৮) ও আকাশ (১৫), একই উপজেলার ধল্লাকান্দি গ্রামের ইছা খানের ছেলে আল-আমিন (১৭), একই গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে ইছাহাক খান (১৪), কাউনিয়া উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল মতিন মিয়ার ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩০) এবং কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার করপোড়া গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে মিজানুর (২৭)।

এদিকে জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রতিটি নিহত পরিবারকে ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন। ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেবুন নেছাকে আহ্বায়ক, এএসপি (সি সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান ও গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল কাদের জিলানীকে সদস্য করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছেন তিনি। এ কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ত্রিপল দিয়ে ঢেকে গোপনে রড বোঝাই ট্রাকে করে ঈদ উপলক্ষে বাড়ি ফিরছিলেন ওই ১৩ জন। প্রচণ্ড বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার মধ্যে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়লে তাঁরা সবাই মারা যান। ঢাকা ও আশপাশের এলাকায়  পোশাককর্মী, রিকশাচালক, পলিথিন ফ্যাক্টরির কর্মী, বাসার কেয়ারটেকার, কৃষি শ্রমিক ও শ্রমজীবী হিসেবে কাজ করতেন তাঁরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা