kalerkantho

সোমবার । ২২ আষাঢ় ১৪২৭। ৬ জুলাই ২০২০। ১৪ জিলকদ  ১৪৪১

রেমডেসিভির প্রথম উৎপাদন করেছে বেক্সিমকো ফার্মা

প্রতিষ্ঠানটির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রেমডেসিভির প্রথম উৎপাদন করেছে বেক্সিমকো ফার্মা

‘করোনার চিকিৎসায় দেশে প্রথম রেমডেসিভির উৎপাদন করল এসকেএফ’—এই খবরের প্রতিবাদ জানিয়ে বেক্সিমকো ফার্মা বলেছে, তারাই প্রথম এই জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন করেছে। শুধু তা-ই নয়, বেক্সিমকো ফার্মাই প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র কম্পানি, যারা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে (ডিজিডিএ) পরীক্ষা ও অনুমোদনের জন্য এই জেনেরিক ওষুধের চূড়ান্ত নমুনা জমা দিয়েছে। গতকাল শনিবার বেক্সিমকো ফার্মা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানিয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৮ মে ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ ও পরদিন ছাপা সংস্করণে প্রকাশিত ‘এসকেএফ ফার্স্ট টু প্রডিউস রেমডেসিভির ইন দ্য কান্ট্রি’ এবং ‘করোনার চিকিৎসায় দেশে প্রথম রেমডেসিভির উৎপাদন করল এসকেএফ’ শীর্ষক সংবাদ বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের দৃষ্টিগোচরে এসেছে। সংবাদে উল্লেখ করা হয় যে শুক্রবার থেকেই রেমডেসিভির ওষুধ সরবরাহ করার প্রস্তুতি শুরু করেছে এসকেএফ। একই সংবাদ অন্যান্য গণমাধ্যমও পুনঃপ্রকাশ করেছে। আমরা মনে করি, এই সংবাদ প্রতিবেদন বিভ্রান্তিকর ও তথ্যগতভাবে ভুল।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এই ওষুধ উৎপাদনের পর সব প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করার পর ৭ মে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে পরীক্ষা ও অনুমোদনের জন্য চূড়ান্ত নমুনা জমা দেয় বেক্সিমকো ফার্মা। কোনো কম্পানি বাংলাদেশ বা বিশ্বজুড়ে কোনো ওষুধ সরবরাহ করার আগে এই অনুমোদন গ্রহণের বিষয়টি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক।

ঔষধ প্রশাসনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : এদিকে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রুহুল আমিন গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, ‘এসকেএফসহ মোট আটটি কম্পানিকে  নমুনা তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে এসকেএফ মৌখিকভাবে আমাদেরকে জানিয়েছে তারা ওষুধের নমুনা তৈরি করেছে। ১০ মে সেই নমুনা আমাদের কাছে জমা দেওয়ার কথা বলেছে। নমুনা জমা দেওয়ার ভিত্তিতে ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবে ওই ওষুধের ট্রায়াল হবে। তারপর এর কার্যকারিতা দেখা সাপেক্ষে বাজারজাত করার অনুমোদন দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’

তবে গতকাল রাতে ওই পরিচালক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা বিবৃতি ছাড়ার পরে বিকেলে এসকেএফের পক্ষ থেকে নমুনা জমা দিয়ে গেছে। এ ছাড়া বেক্সিমকো আরো আগেই তাদের নমুনা জমা দিয়েছে। দুটি কম্পানির নমুনা ল্যাবে পরীক্ষার পর বাজারজাতের অনুমোদন দেওয়ার ব্যাপারে বিবেচনা করা হবে।’

এদিকে দেশের আরেক ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইনসেপ্টার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা স্বল্প সময়ের মধ্যে উৎপাদন করতে যাচ্ছে রেমডেসিভির। তারা প্রতি ভায়াল ইনজেকশনের দাম ঠিক করেছে পাঁচ হাজার টাকা করে। ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের ডিজিএম মার্কেটিং মো. হাবিবুর রহমান জানান,  সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের কারণে ওষুধটি দ্রুততম সময়ের মাঝে নিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে। পাশাপাশি ওষুধটি যেন  শুধু করোনা রোগীরা পায় তাও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকার সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা