kalerkantho

বুধবার । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৭  মে ২০২০। ৩ শাওয়াল ১৪৪১

শিলাবৃষ্টিতে তিন উপজেলায় ফল ফসলের ক্ষতি

হবিগঞ্জ ও কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি   

৪ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হবিগঞ্জের মাধবপুরে গত বৃহস্পতিবার শিলাবৃষ্টিতে ধান, শাক-সবজি, আম ও কাঁচা ইটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ব্রি২৮ ও ব্রি২৯ জাতের আমনের ক্ষতি হওয়ায় এ মৌসুমে ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই দিন রাতে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর উপজেলায় শিলাবৃষ্টিতে ধান, মৌসুমি ফল ও সবজির বেশ ক্ষতি হয়েছে।

মাধবপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় দুই হাজার হেক্টর কচু, ঢেঁড়স, বরবটি, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গার মতো সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও এ পর্যন্ত প্রায় ৮০০ হেক্টর চাষ সম্পন্ন হয়েছে। জগদীশপুর, শাহজাহানপুর, আন্দিউড়া ও বুল্লা ইউনিয়নে শিলাবৃষ্টিতে এসব সবজির ক্ষতি হয়েছে।

বেজুড়া গ্রামের সবজি চাষি দিলিপ দেব ও রাফিত মিয়া জানান, এ মৌসুমে ৯০ শতাংশ জমিতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পাটশাক চাষ করা হয়েছিল। শিলাবৃষ্টিতে সেই জমি পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে এই ক্ষতি অপূরণীয়।

মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।

কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বোরো ধান, আম, লিচু, কলা, পটোল, ঝিঙে, করল্লা, খিরা, টমেটো, লাল শাক, সবুজ শাক ও পানের বরজের। কোটচাঁদপুরের সাবদারপুর ইউপির চেয়ারম্যান নওশের আলী নাছির বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে হঠাৎ আকাশ গর্জন দিয়ে বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। পৌনে এক ঘণ্টার শিলাবৃষ্টিতে ধান, মৌসুমি ফল ও সবজির বেশ ক্ষতি হয়েছে। 

কোটচাঁদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাত হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের মাঠকর্মীরা এখনো মাঠেই অবস্থান করছেন। তাঁরা ফিরে না আসা পর্যন্ত ক্ষতির পরিমাণ বলা সম্ভব হচ্ছে না।’

আরো শিলাবৃষ্টি হতে পারে

এদিকে আবহাওয়া অফিস গতকাল শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ সহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা