kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ কার্তিক ১৪২৭। ২৭ অক্টোবর ২০২০। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

মাস্ক পরে মসজিদে মুসল্লিরা, নামাজ শেষে আড্ডা

বায়তুল মোকাররমে জুমার জামাত বিশেষ মোনাজাত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাস্ক পরে মসজিদে মুসল্লিরা, নামাজ শেষে আড্ডা

‘ওয়াক্তিয়া নামাজ ঘরেই পড়ছি। তবে জুমার নামাজ বাসায় পড়া যায় না, তাই সবার সঙ্গে নামাজ পড়ার জন্য জীবনের ঝুঁকি জেনেও বের হয়েছি। কাজ না থাকলে আর এক সপ্তাহ বের হব না।’ রাজধানীর লালবাগে খান মোহাম্মদ মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর রফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি কথাগুলো বলছিলেন। তিনি মাস্ক ও হাতমোজা পরা ছিলেন।

করোনা পরিস্থিতির কারণে রাজধানীর বেশির ভাগ মসজিদে তুলনামূলক কমসংখ্যক মুসল্লির অংশগ্রহণে সংক্ষিপ্তভাবে গতকাল শুক্রবার জুমার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে দুপুর ১টায় আজান দিয়ে সোয়া ১টায় খুতবা শুরু হয়। ১টা ২৫ মিনিটের মধ্যে জামাত আদায় হয়। নামাজ শেষে মোনাজাতে করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।

তবে নামাজ শেষে রাজধানীর কোথাও কোথাও বাসার সামনে যুবকদের আড্ডা দিতে দেখা গেছে।

এর আগে বুধ ও বৃহস্পতিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মসজিদে সীমিত আকারে নামাজ আদায়ের আহ্বান জানানো হয়। তবে অসুস্থ, বিশেষ করে হাঁচি-কাশিতে আক্রান্ত, অতি বয়স্ক ও বিদেশফেরতদের মসজিদে যাওয়া থেকে বিরত থাকা, অন্যদেরও ব্যক্তিগত সুরক্ষার ব্যবস্থা করে শুধু ফরজ নামাজের জামাতে অংশ নিতে মসজিদে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়। এরপর শুক্রবার সকালে অনেক মসজিদ থেকেও একই আহ্বান জানিয়ে মুসল্লিদের সতর্ক করা হয়।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে মসজিদে মুসল্লিদের উপস্থিতি কমলেও গতকাল জুমার নামাজের জন্য বের হয় মানুষ। হাতমোজা, মাস্ক ছিল প্রায় সবার। করোনাভাইরাসের আতঙ্ক ফুটে উঠছিল তাদের আলাপ-আলোচনায়। আজিমপুর ছাপড়া মসজিদ থেকে নামাজ শেষ করে বাসায় ফিরছিলেন সরকারি চাকরিজীবী আব্দুল লতিফ। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আল্লাহ যা করে করবেন, আমরা আমাদের সচেতনতার মধ্যে আছি। সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। নামাজ আপাতত বাসায় পড়ছি। জুমার নামাজ জামাতে পড়ার জন্য আসা।’

মন্তব্য