kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

সড়কে ঝরল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ আটজনের প্রাণ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৭ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বগুড়ার শাজাহানপুরে সিএনজিচালিত অটোটেম্পো ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত ও এক কিশোর আহত হয়েছে। এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় কুষ্টিয়ার মিরপুর, বগুড়ার শেরপুর, পাবনার ঈশ্বরদী, মানিকগঞ্জের ঘিওর ও রাজধানী ঢাকায় ছয়জন নিহত হয়েছে। হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস উল্টে খাদে পড়ে আহত হয়েছে অর্ধশত লোক। মিরপুরে নিহত যুবক কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ছাত্র। গত বুধবার রাত থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন, থানা-পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্রে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সাইফুন ব্রিজের কাছে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কে বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত অবৈধ নছিমন উল্টে এর নিচে চাপা পড়ে ইবির আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র শিহাব আলীর (২২) মৃত্যু হয়। শিহাব মিরপুরের চুনিয়াপাড়ার মনোয়ার হোসেনের ছেলে। রাতে শিহাব বাড়িতে যাওয়ার সময় এ দুর্ঘটনায় পড়েন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বুধবার রাতে শাজাহানপুর উপজেলার সাজাপুর কলাবাগান এলাকায় মাঝিড়া বাইপাস সড়কে নিহতরা হলো সাজাপুরের সাইফুল ইসলামের ছেলে এমরান হোসেন (১৫) ও আব্দুল হান্নানের ছেলে হাসান বাবু (১৬)।

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ছোনকা এলাকায় বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কে গতকাল সকালে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হন। তাঁরা হলেন মাইক্রোবাসচালক কক্সবাজারের রমিজ আহম্মেদের ছেলে মজিবুর রহমান (৩০) ও শেরপুর উপজেলার ছোনকা দক্ষিণপাড়ার আজগর আলী (৬০)।

কুষ্টিয়া-নাটোর মহাসড়কের ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি রেলগেটে গতকাল সকালে আলুবোঝাই ট্রাক উল্টে পথচারী সোহরাব মোল্লা (৬৫) নিহত হন। তিনি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন রাজাপুর পূর্ণকলস এলাকার মৃত আহম্মেদ আলীর ছেলে।

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার তরা ক্রসব্রিজ এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে যাত্রীবাহী মিনিবাস ও প্রাইভেট কারের সংঘর্ষে কারটির চালক হযরত আলী (৪২) নিহত হয়েছেন। তিনি ঢাকার তুরাগ থানাধীন কালীবাড়ী এলাকার নূরুল ইসলামের ছেলে।

হযরত আলী ঝিনাইদহ থেকে কার চালিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। পথে পাটুরিয়াগামী মিনিবাসের সঙ্গে সংঘর্ষে কারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। কারের অন্য আরোহী স্থানীয় মুন্নু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় ঘিওর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

রাজধানীর তেজগাঁও সাত রাস্তা ফ্লাইওভারের ঢালে গতকাল ভোরে সড়ক ‘দুর্ঘটনায়’ এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবক (৩০) নিহত হন। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ওসি মো. আলী হোসেন খান বলেন, ‘মৃতদেহটি সাত রাস্তা ফ্লাইওভারের ঢালে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ভোরে কোনো গাড়ি তাঁকে চাপা দিলে তাঁর মৃত্যু হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বিরাট এলাকায় গতকাল সকালের ঘটনায় গুরুতর আহত ১০ জনকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এই বাসযাত্রীরা করোনাভাইরাসের প্রভাবে ভোররাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রামের বাড়ি ফিরছিল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা