kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ আষাঢ় ১৪২৭। ৯ জুলাই ২০২০। ১৭ জিলকদ ১৪৪১

শিক্ষক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্বিমত

কোয়ারেন্টিন হচ্ছে না চবির আবাসিক হলে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাভাইরাস মোকাবেলায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) একটি হল কোয়ারেন্টিনের স্থান হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকতা-কর্মচারীদের দ্বিমত থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চবি উপাচার্য শিরীণ আখতার।

উপাচার্য বলেন, ‘মানবিক কারণে সিন্ডিকেট সদস্যসহ ডিন ও শিড়্গক সমিতির সঙ্গে আলাপ করে কোয়ারেন্টিন স্থাপনের সিদ্ধান্ত্মে রাজি হই। কিন্তু এর পরই এটি যাতে না হয় সেজন্য জ্যেষ্ঠ কিছু শিড়্গক, কর্মকতা-কর্মচারীদের একাংশ ও এলাকাবাসী বিষয়টি নিয়ে বিরোধিতা করছে। তাদের দ্বিমত থাকায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলটিকে কোয়ারেন্টিন করার সিদ্ধান্ত্ম থেকে আমরা সরে এসেছি। তাদের কথাটা প্রশাসনকে জানিয়েছি। প্রশাসনের কর্মকর্তারা মন খারাপ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, ‘আপনাদের সিদ্ধান্ত্মের বাইরে কিছু যাবে না। যেহেতু তারা চাচ্ছে না তাই হলটিতে আর কোয়ারেন্টিন করা হচ্ছে না’।’

এর আগে দুপুরে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন স্থাপনের সিদ্ধান্ত্মে চবি শিড়্গক সমিতির নেতারা শঙ্কা ও উদ্বেগ প্রকাশ করে গণমাধ্যমে বিবৃতি দেন। চবি উপাচার্য বরাবর বিষয়টি পুনর্বিবেচনার করতে স্মারকলিপিও দেন।

উলেস্নখ্য, গত মঙ্গলবার সরকারি সিদ্ধান্ত্মে চট্টগ্রাম উত্তর জেলার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন করতে চবির শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলকে বেছে নেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্ত্মের পর পরই চবি শিড়্গক, কর্মকতা-কর্মচারী, শিড়্গক সমিতিসহ সংশিস্নষ্টরা এতে দ্বিমত পোষণ করতে থাকে। তাদের দাবি, হলটির দড়্গিণে পাশে ১০০ গজের মধ্যে কয়েকশত কর্মচারীর পরিবার বাস করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা