kalerkantho

শনিবার । ২০ আষাঢ় ১৪২৭। ৪ জুলাই ২০২০। ১২ জিলকদ  ১৪৪১

চাল-তেলের দাম আরো বেড়েছে

রোকন মাহমুদ   

২৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাল-তেলের দাম আরো বেড়েছে

অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি আর ক্রেতার চাপে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে বেসামাল অবস্থা চলছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে সরবরাহ সংকট। বিক্রেতারা বলছেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের ভয়ে অনেক আড়তদার পণ্য বিক্রি বন্ধ রাখায় বাজারে পণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। আবার পরিবহনব্যবস্থা সাবলীল না থাকায় সবজি আর প্রাণিজ আমিষের বাজারেও সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে পণ্যের দামেও।

রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে গতকাল বুধবারও বেড়েছে চাল, ভোজ্য তেলসহ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। চালের দাম কেজিতে বেড়েছে দুই থেকে চার টাকা। খুচরা পর্যায়ে লিটারে তিন টাকা বেড়েছে ভোজ্য তেলের দাম। সবজি এবং ডিমের দামও বাড়তি। গতকাল সরেজমিন দেখা যায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের শঙ্কায় রাজধানীর রাস্তাঘাট ফাঁকা হলেও বাজারে অনেকটাই উল্টো চিত্র। আগামী দিনগুলোতে কী পরিস্থিতি হয়—এমন শঙ্কা থেকে ক্রেতারা আবশ্যকীয় পণ্যসামগ্রী একটু বেশি পরিমাণে সংগ্রহে ব্যস্ত।

একাধিক ক্রেতা বলেন, ‘আগামীকাল (আজ বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হবে টানা ১০ দিনের ছুটি। এ সময়টাতে সেনাবাহিনীসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবেন। বাজার পরিস্থিতি কী হয় তা অনিশ্চিত। তাই বাড়তি পণ্য কিনে রাখছি।’ বিক্রেতার বলছেন, বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের আতঙ্কে ও পরিবহন সংকটে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। অনেক বিক্রেতা চলে গেছেন বাড়িতে। ফলে পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে।

রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে গতকাল মিনিকেট চাল কেজিতে দুই টাকা বেড়ে ৫৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ৫৬ থেকে ৬০ টাকার নাজিরশাইল বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৬৪ টাকায়। মোটা চালের মধ্যে আগে ৩৮ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হওয়া বিআর-২৮, স্বর্ণা ও পাইজাম বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৪২ টাকা। মসুর ডালে আগের বাড়তি দামই রাখা হচ্ছে। বড় দানার মসুর ডাল ৭০ আর ছোট দানা ১০০ থেকে ১২০ টাকা। লিটারে তিন টাকা বেড়ে ৯৩ টাকার সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে ৯৬ টাকায়। পাম তেল ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা লিটার। চিনি ও ছোলার দাম রয়েছে আগের মতোই।

মন্তব্য