kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ কার্তিক ১৪২৭। ২৭ অক্টোবর ২০২০। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সহজেই মিলবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি হচ্ছে ৪০ লাখ লিটার

এস এম আজাদ   

২৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাভাইরাস আতঙ্কে ব্যাপকভাবে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা দ্রুতই কেটে যাবে। গতকাল বুধবার দেশের ১৫টি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ৬৪ জেলার প্রশাসককে ২০ লাখ ৫৫ হাজার ২০০ লিটার ইথানল ও রেক্টিফায়েড স্পিরিট (আরএস) তৈরির অনুমোদন দিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সবচেয়ে বেশি ২০ লাখ লিটার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ‘যমুনা ডিস্টিলারি লিমিটেড’ কম্পানিকে। অনুমোদনপত্রে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির জন্যই এই বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এতে প্রায় দ্বিগুণ হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করা যাবে। উপাদানগুলো আগামী তিন মাসের মধ্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরিতে ব্যবহার করতে হবে।

ডিএনসির কর্মকর্তারা বলছেন, হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির জন্য এখন বিদেশ থেকে কাঁচামাল আনতে পারছেন না প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই সংকট মোকাবেলায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি ও ব্যবহারের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদনের প্রেক্ষিতে অনুমোদন দেয় ডিএনসি। এর ফলে বাজারে সহজেই কম দামে হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাওয়া যাবে।

জানতে চাইলে ডিএনসির উপপরিচালক (ঢাকা মেট্রো-দক্ষিণ) মানজুরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিদেশ থেকে আইসোপ্রফাইল আমদানি প্রায় বন্ধ। আর ইথানল ও আরএস তৈরিতে ডিএনসির অনুমোদন লাগে। সংকট মোকাবেলায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’

ডিএনসির সূত্র জানায়, বরাদ্দ দেওয়া আরএস ও ইথানল দিয়ে প্রায় দ্বিগুণ, অর্থাৎ ৪০ লাখ লিটারের মতো হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করা যাবে। গতকাল যমুনা গ্রুপের যমুনা ডিস্টিলারিকে ২০ লাখ লিটার আরএস বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই উপাদান হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরিতে তিন মাসের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে।

মন্তব্য