kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ আষাঢ় ১৪২৭। ২ জুলাই ২০২০। ১০ জিলকদ  ১৪৪১

বদলে গেছে রাজধানীর জীবনযাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বদলে গেছে রাজধানীর জীবনযাত্রা

সর্বত্র সব কিছু বদলে গেছে। রাজধানীতে যেখানে সকাল হলেই মানুষ আর গাড়িতে গিজগিজ করত, দিন কয়েকের ব্যবধানে সেখানে এখন সব কিছু বদলে গেছে। মিরপুর-১০ নম্বর থেকে কুড়িল উড়াল সেতু অতিক্রম করতে যেখানে আগে পৌনে এক ঘণ্টা লাগত, গতকাল দুপুরে ওই পথ পার হতে অটোচালক রমিজ উদ্দিনের লেগেছে মাত্র ১৫ মিনিট। তিনি কুড়িলে ফাঁকা সড়ক দেখে বলে উঠলেন, ‘শহরডা য্যান ক্যামন হইয়া গেল! মানুষ নাই, জন নাই, গাড়ি নাই! সব ফাঁকা হইয়া গেল!’

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতিতে গতকাল সোমবার রাজধানীর প্রধান সড়কগুলো ছিল ফাঁকা। কোথাও ছিল না যানজট, জনজট। বিভিন্ন স্থানে মার্কেট আর সাধারণ দোকানপাটও ছিল বন্ধ। চায়ের দোকানেও নেই আগের মতো আড্ডা। এক ধরনের নীরবতা দখল করে নিয়েছে রাজধানীকে। কারণ করোনার সতর্কতা হিসেবে বেশির ভাগ মানুষ ঘরে অবস্থান করছে। ফলে সংগত কারণেই রাজধানীর সড়কগুলো ফাঁকা।

বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার অলিগলিতেও মানুষজন ছিল কম। মিরপুর, আগারগাঁও, শ্যামলী, কলেজগেট, মানিক মিয়া এভিনিউ, পান্থপথ, কারওয়ান বাজার, মৎস্য ভবন, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদসহ বিভিন্ন স্থানে একই অবস্থা লক্ষ্য করা গেছে। যানজট না থাকায় এক ঘণ্টার রাস্তা পার হতে সময় লাগছে ১৫ থেকে ২০ মিনিট।

আর আতঙ্কের কারণে যাত্রী কমেছে গণপরিবহনে। খুব জরুরি প্রয়োজন না হলে কেউ গণপরিবহনে উঠছে না। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সারি সারি বাস ও মিনিবাস বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

মহাখালী ও গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার বাস ছেড়ে গেছে কম। ট্রেনের যাত্রী কমেছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ওই সিটির বিভিন্ন সড়কে তরল জীবাণুনাশক ছিটাতে দেখা গেছে।

মন্তব্য