kalerkantho

বুধবার । ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩ জুন ২০২০। ১০ শাওয়াল ১৪৪১

সিঙ্গাপুর দুবাই আবুধাবি ফ্লাইট বন্ধ করল বিমান

যাত্রীসংকটে অভ্যন্তরীণ রুটেও তিন দিন ফ্লাইট বন্ধ
সৌদি আরব থেকে ফিরেছে আটকে পড়া ৪০৬ জন ওমরাহযাত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় এবার সিঙ্গাপুর রুটেও ফ্লাইট বন্ধ করল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। আগামী ২১ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকা-সিঙ্গাপুর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ থাকবে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য জানান বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোকাব্বির হোসেন। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণে বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিমান বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট বাতিল করছে। সিঙ্গাপুর রুটেও ২১ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ থাকবে।

এদিকে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির আবুধাবি ও দুবাই রুটে সব ধরনের ফ্লাইট বাতিল করেছে বিমান। গতকাল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

মোকাব্বির হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, যাত্রীসংকটের কারণে বিমানের অভ্যন্তরীণ রুটেও আগামী তিন দিনের বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

এর আগে করোনার বিস্তার রোধে বিভিন্ন দেশের সিদ্ধান্তের কারণে বেশ কয়েকটি রুটে ফ্লাইট বন্ধ করে দেয় বিমান। সবশেষ গত ১৭ মার্চ মালয়েশিয়াকে ‘লকডাউন’ ঘোষণা করা হলে কুয়ালালামপুর রুটের ফ্লাইটও বাতিল করে দেয় রাষ্ট্রীয় এয়ারলাইনসটি।

বিমানের এমডি জানান, বাতিল হওয়া অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা-বরিশাল-ঢাকা (২২ মার্চ), ঢাকা-যশোর-ঢাকা (২২ মার্চ), ঢাকা-সৈয়দপুর-ঢাকা (২৩ মার্চ), ঢাকা-রাজশাহী-ঢাকা (২৩ মার্চ), ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা (২১ থেকে ২৩ মার্চের সব ফ্লাইট), ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা (২১ থেকে ২৩ মার্চের সব ফ্লাইট), ঢাকা-সিলেট-ঢাকা (২১ ও ২২ মার্চ)।

আটকে পড়া ৪০৬ জনকে নিয়ে ঢাকায় সাউদিয়া এয়ারলাইনস : করোনা ঝুঁকির মধ্যেই সৌদি আরবে আটকে পড়া ৪০৬ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছে। গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় সৌদি এয়ারলাইনসের এসভি-৩৮০৫ নম্বর ফ্লাইটে তারা ঢাকায় অবতরণ করে। ফ্লাইটের অধিকাংশ যাত্রীই ওমরাহ করতে গিয়ে সৌদি আরবে আটকে গিয়েছিল। সৌদি আরবের বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট উঠানামায় নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে এবং ওমরাহযাত্রীদের ক্ষেত্রে মানবিক বিবেচনায় তারা ফ্লাইটের অনুমতি দেয়। শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক এ তথ্য জানান।

ওই যাত্রীরা শাহজালাল বিমানবন্দরে নামার পর তাদের থার্মাল স্ক্যানারে স্ক্রিনিং করা হয়। তাদের কারো মধ্যে করোনার লক্ষণ-উপসর্গ না পাওয়া গেলে তাদের হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়ে রেখেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কারো শরীরে তাপমাত্রা বেশি পাওয়া গেলে পাঠানোর কথা কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা