kalerkantho

বুধবার । ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩ জুন ২০২০। ১০ শাওয়াল ১৪৪১

এক নজরে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ১৪ পদক্ষেপ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকার ১৪টি পদক্ষেপ নিয়েছে। কালের কণ্ঠের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো—

১. জেলা, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে পৃথক বেড রাখা হয়েছে। করোনার লক্ষণ দেখা দিলে হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য নির্ধারিত নম্বর দেওয়া হয়েছে। ২. রাজধানীতে করোনা রোগীদের জন্য চারটি হাসপাতাল বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল ও কুর্মিটোলা হাসপাতালে বিশেষ ইউনিট করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকায় আরো কয়েকটি হাসপাতাল প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া চলছে। ৩. করোনাভাইরাস শনাক্ত করার জন্য আগামী দুই দিনের মধ্যেই আসছে আরো দুই হাজার কিট। এ ছাড়া চীন সরকারের কাছ থেকে আসছে আরো ১০ হাজার কিট, ১৫ হাজার সার্জিক্যাল মাস্ক, ১০ হাজার মেডিক্যাল প্রটেক্টিভ ড্রেস ও এক হাজার ইনফ্রারেড থার্মোমিটার। ৪. বিদেশ থেকে যাঁরা আসছেন তাঁদের তালিকা ঠিকানাসহ জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন আগত প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা করছে। যাঁরা হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার আইন ভঙ্গ করছেন তাঁদের জরিমানাও করা হচ্ছে। গতকালও টাঙ্গাইল, মাদারীপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় বেশ কয়েকজন প্রবাসীকে জরিমানা করা হয়েছে। ৫. যাদের শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তাদের আশকোনা হজ ক্যাম্পসহ নিরাপদ স্থানগুলোতে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৬. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ করা হয়েছে। ৭. ইউরোপীয় দেশগুলোর সব ফ্লাইট বন্ধ করা হয়েছে। ৮. জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন সরকারের পক্ষ থেকে মিডিয়ায় প্রচার করা হচ্ছে। ৯. পতেঙ্গা ও কক্সবাজারসহ পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ১০. আবাসিক হোটেলে বিদেশি থাকলে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ১১. যাদের হাঁচি, কাশি, জ্বর রয়েছে তাদের জুমার নামাজে শামিল না হওয়ার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ১২. চাল, ডালসহ নিত্যপণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়সভা এবং কেউ যেন নিত্যপণ্যের বাড়তি দাম আদায় করতে না পারে সে লক্ষ্যে বাজার মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা। ১৩. জেলা, উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ১৪. হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের মনিটরিং, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, স্কুল ও কোচিং বন্ধ রাখা এবং বাজারব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখার জন্য প্রতিটি উপজেলায় একটি করে টাস্কফোর্স টিম অভিযান পরিচালনা করছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা