kalerkantho

শনিবার । ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৬ জুন ২০২০। ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

পাপিয়ার নির্যাতন

ভয়ে মামলা করছেন না ব্যবসায়ী

নরসিংদী প্রতিনিধি   

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নরসিংদী যুব মহিলা লীগের সদ্য বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামিমা নূর পাপিয়া তাঁর নরসিংদীর বাসায় ব্যবসায়ী টোকন তালুকদারকে ধরে এনে তিন দিন আটকে দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। টোকন তালুকদার রাজধানীর ‘ঢাকা সিকিউরিটিজ সার্ভিস’ নামের নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার আবদুল বারিক তালুকদারের ছেলে।

টোকন বলেন, ভাগদী এলাকার পাপিয়ার পাশের বাড়ির ভাড়াটিয়া সাইফুল নামের একজনের কাছে ৩০ হাজার টাকা পেতাম। গত ২৭ সেপ্টেম্বর টাকা আনতে গেলে সাইফুল বোন হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয় পাপিয়ার সঙ্গে। পরে পাপিয়া টাকা দেওয়ার কথা বলে তাঁর আস্তানায় নিয়ে যান। আস্তানায় ১০ নারী ও ১০ পুরুষ সহযোগী ছিল। কাউকে আস্তানায় নেওয়ার পর সেখানে থাকা নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তোলা হয়। কখনো কখনো অস্ত্র-মাদক দিয়েও ছবি তোলা হয়। পরবর্তী সময় এসব ছবি দেখিয়ে টাকা আদায় করা হতো।

তিনি আরো বলেন, ‘পাপিয়া আস্তানায় আমাকে নিয়েই সেখানে থাকা এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তোলেন। এরপর এই ছবি দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পাপিয়া নিজেই আমাকে মারধর শুরু করেন। পরে আমার সঙ্গে থাকা ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন। দুই দিন আটকে রাখার পর আমার পরিবারের লোকজনের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া শাখা থেকে নরসিংদী সাটিরপাড়া শাখায় দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা জমা দেওয়ার পর ছাড়া পেয়েছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা