kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৯ চৈত্র ১৪২৬। ২ এপ্রিল ২০২০। ৭ শাবান ১৪৪১

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দুই প্যাকেজ

হজে লাগবে ৩ লাখ ৬১ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার জন্য সাধারণ ও ইকোনমি নামে দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। ‘সাধারণ প্যাকেজে’ মূল্য ধরা হয়েছে তিন লাখ ৬১ হাজার ৮০০ টাকা আর ইকোনমি প্যাকেজে তিন লাখ ১৭ হাজার টাকা। তবে হজযাত্রীদের কোরবানি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি এ দুটি হজ প্যাকেজে। কোরবানির জন্য প্রত্যেককে ৫২৫ রিয়ালের সমপরিমাণ টাকা নগদ নিতে হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ভিক্টরি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হজ প্যাকেজ দুটি ঘোষণা করেন হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম।

এর আগে সোমবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার জন্য তিনটি প্যাকেজের অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। প্যাকেজ-১-এ চার লাখ ২৫ হাজার টাকা, প্যাকেজ-২-এ তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং প্যাকেজ-৩-এ খরচ ধরা হয় তিন লাখ ১৫ হাজার টাকা।

বেসরকারি দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করে হাবের সভাপতি বলেন, ‘আগামী ২ মার্চ থেকে এ বছরের বেসরকারি হজযাত্রীদের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে। নিবন্ধনের সময় বিমানভাড়া বাবদ এক লাখ ৩৮ হাজার টাকাসহ সর্বনিম্ন মোট এক লাখ ৫১ হাজার ১৯০ টাকা জমা দিতে হবে। তবে হজযাত্রীদের আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে প্যাকেজমূল্যের সব টাকা অবশ্যই সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে পরিশোধ করতে হবে।’ কোনো এজেন্সি হজ প্যাকেজের সর্বনিম্ন মূল্যের চেয়ে কমে কোনোভাবেই হজযাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নিতে পারবে না বলেও জানান তিনি।

শাহাদাত হোসাইন বলেন, হজযাত্রীদের নিজ উদ্যোগে এমআরপি পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে; যার মেয়াদ এ বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকতে হবে। প্রাক-নিবন্ধনের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের যে নম্বর ব্যবহূত হয়েছিল, তা পাসপোর্টে ব্যক্তিগত পরিচিতি নম্বর হিসেবে উল্লেখ থাকতে হবে।

হজযাত্রীদের বাড়তি বিমানভাড়া নিয়ে সন্তুষ্ট কি না জানতে চাইলে হাবের সভাপতি বলেন, ‘না, সন্তুষ্ট নই। এবার কোনো কারণ ছাড়া ১২ হাজার টাকা বাড়তি বিমানভাড়া ধরা হয়েছে। হজ প্যাকেজে সেটা কমানো হয়েছে মাত্র দুই হাজার টাকা। এখনো ১০ হাজার টাকা বিমানভাড়া বাড়তি রয়েছে। আমরা এ বর্ধিত বিমানভাড়া কমানোর দাবি করছি।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হাবের মহাসচিব ফারুক আহমদ সরদার, সহসভাপতি ইয়াকুব শরাফতি ও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা ফজলুর রহমান।

মন্তব্য