kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৪ জুন ২০২০। ১১ শাওয়াল ১৪৪১

লোহাগড়ায় কুপিয়ে হত্যা সাবেক চেয়ারম্যানকে

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি   

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নড়াইলের লোহাগড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বদর খন্দকারকে (৪০) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। কুপিয়ে তাঁর দুই পা ও এক হাত বিচ্ছিন্ন এবং আরেক হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

মুমূর্ষু অবস্থায় বদর খন্দকারকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে গতকাল সোমবার রাত সোয়া ৯টার দিকে তিনি মারা যান। এর আগে গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপেজলার চরকালনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে তাঁকে কোপানো হয়।

বদর খন্দকারের স্বজনরা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বদর খন্দকার উপজেলার কালনাঘাটে নিজ ইটভাটা থেকে মোটরসাইকেলে করে কামঠানা গ্রামের নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে চরকালনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছলে সেখানে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাঁর গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। অস্ত্রের কোপে বদর খন্দকারের দুই পা হাঁটুর নিচে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ছাড়া তাঁর ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন এবং বাঁ হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বদরকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর জন্য বলা হয়।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার সুমনা খানম ও বদর খন্দকারের আত্মীয় আলিম, সাইদ আলমসহ অন্যরা জানান, ধারালো অস্ত্রের কোপে হাতা-পা কেটে ফেলায় অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রোগীকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। 

খুলনায় বদর খন্দকারের সঙ্গে যাওয়া তাঁর ভাগ্নে তরিকুল ইসলাম ও উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মতিয়ার রহমান মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন। তাঁরা রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে পৌঁছার কিছুক্ষণ আগে পথেই বদর মারা যান। পরে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

বদর খন্দকারের পরিবারসহ এলাকাবাসী জানায়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনসহ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিপক্ষের সঙ্গে বদর খন্দকারের বিরোধ চলছিল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা