kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৪ জুন ২০২০। ১১ শাওয়াল ১৪৪১

ঢাকা-সিলেট ছয় লেন প্রকল্প

এডিবির অর্থ ফেরত যাওয়ার আশঙ্কা!

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হালকা যানবাহন চলাচলের দুই লেনসহ ঢাকা-সিলেট ছয় লেন মহাসড়ক প্রকল্প আটকে আছে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায়। আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্প অনুমোদন না হলে অর্থ ছাড় করতে পারবে না এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এতে প্রকল্প বাস্তবায়ন এক বছর পিছিয়ে যাবে। এ ছাড়া এডিবি বিমুখ হয়ে অন্য প্রকল্পে দিয়ে দিতে পারে ওই অর্থ।

জানা যায়, আগামী জুলাইয়ের মধ্যে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি চূড়ান্ত হলে সেপ্টেম্বরে চুক্তি সই হবে। এডিবির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, মহাসড়কের নকশা অবশ্যই জুন মাসের মধ্যে অনুমোদন হতে হবে। সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা অবশ্য বলছেন, নকশা প্রণয়ন ও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেড়-দুই মাস লাগবে।

জানা যায়, এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ওই প্রকল্প অনুমোদনের জন্য তাগাদা দেন। এ ছাড়া তিনি এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

জানা গেছে, ১৯৯২ সালে এডিবি এ খাতে অর্থ বিনিয়োগ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। তবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি। এ বছর যেন এ ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় অবকাঠামো উন্নয়নকাজ বাতিল না হয় বা পিছিয়ে না যায় সে জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছে এডিবি।

সওজ অধিদপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রকল্পের নতুন রুটের নকশা তৈরি করা হচ্ছে। তাতে দূরত্ব ২২৬ কিলোমিটার থেকে ১৬ কিলোমিটার কমবে। গত ২৯ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এ প্রকল্প নিয়ে মতবিনিময় সভায় সওজ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী জানিয়েছিলেন, প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ করা হবে সব মিলিয়ে আট লেনের। মহাসড়কে গাড়ি চলবে ৮০-১২০ কিলোমিটার গতিবেগে। চুক্তি হওয়ার পর তিন বছরে এ মহাসড়ক নির্মাণ করা সম্ভব হবে। নরসিংদীর মাধবদী ও পাঁচদোনায় দূরত্ব কমবে তিন কিলোমিটার। এভাবে নতুন নকশা অনুসারে প্রায় ১৬ কিলোমিটার পথ কমবে।

প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ১৪০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটির কাজ শেষ করা হবে। প্রাথমিক প্রকল্প প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন হয়েছে। তবে উন্নয়ন প্রকল্প ছক (ডিপিপি) চূড়ান্ত হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা