kalerkantho

বুধবার । ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২ ডিসেম্বর ২০২০। ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিকাশ ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিকাশ ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সঞ্জয় কুমার বিশ্বাস (৩২) নামের এক বিকাশ ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার কদমতলী থানার গিরিদা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একই দিন তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

সঞ্জয় কুমার যশোরের কোতোয়ালি থানার নীলগঞ্জ সুপারিবাগান এলাকার সন্তোষ বিশ্বাসের ছেলে। তিনি কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ জোড়াপাম্প এলাকার বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন হাউসের জেনারেল ম্যানেজার ছিলেন।

পুলিশ ও বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন হাউস সূত্রে জানা যায়, গত চার বছর ধরে পল্লী বিদ্যুৎ জোড়াপাম্প এলাকার বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন হাউসের জেনারেল ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছিলেন সঞ্জয় কুমার। সম্প্রতি তিনি ও প্রতিষ্ঠানটির হিসাবরক্ষক চন্দন কুমার বিশ্বাস কোনো কারণ ছাড়াই ডিস্ট্রিবিউশন হাউসে আসা বন্ধ করে দেন। ওই সময় তাঁদের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও দুজনের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এতে সন্দেহ হলে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন হাউস অফিসের রেজিস্টার, কম্পিউটারের হিসাব বিবরণী পর্যালোচনা করে কর্তৃপক্ষ। এতে দেখা যায়, ওই দুই কর্মকর্তা প্রতারণার মাধ্যমে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন থেকে প্রায় ৯৮ লাখ ১০ হাজার ১৬৩ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। পরে ওই বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন হাউসের নির্বাহী পরিচালক মো. জাহেদুল ইসলাম বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় মামলা করেন।

এসআই নজরুল ইলাম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার কদমতলী থানার গিরিদা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে সঞ্জয় কুমারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তাঁর আরেক সহযোগী চন্দনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, সঞ্জয় কুমার ওই টাকা দিয়ে বাড়ি-গাড়ি করেছেন এবং বন্ধুদের দিয়েছেন।

বনের জমি উদ্ধার : গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বন বিভাগের দখল হয়ে যাওয়া প্রায় পাঁচ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে। বন বিভাগ গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার কলাবাঁধা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই জমি উদ্ধার করে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কলাবাঁধা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের জমি জবরদখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে আসছিল কিছু অসাধু লোক। গতকাল শনিবার চন্দ্রা বিট, রঘুনাথপুর বিট, বাড়ইপাড়া বিট ও মৌচাক বিট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা থানা পুলিশের সহায়তায় ওই এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রায় পাঁচ একর জমি উদ্ধার করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা