kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৪ জুন ২০২০। ১১ শাওয়াল ১৪৪১

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন

মাদকের বিরুদ্ধে চাই সম্মিলিত প্রতিরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদের মতো মাদকের বিরুদ্ধেও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেছেন, সরকার জঙ্গি দমনে সফল হয়েছে। জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদের মতো মাদকের বিরুদ্ধেও সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করেছে। সবার সহযোগিতায় এই মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকার সফল হবে। গতকাল শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘একটি জাতিকে ধ্বংস করার জন্য মাদকের চেয়ে বড় হাতিয়ার নেই। যুবসমাজের মধ্যে মাদক ঢুকিয়ে দিতে পারলেই সেই জাতির ধ্বংস নিশ্চিত। আমাদের দেশের যুবসমাজকে মাদকাসক্ত করার নানা ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত চলছে। কিন্তু সরকার এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে। মাদকাসক্তদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে সরকার।’ তিনি বলেন, ‘মাদক উৎপাদন না করেও আমরা মাদকের শিকার। নানাভাবে ক্ষতির সন্মুখীন। তাই মাদকপাচারের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে।’

অনুষ্ঠানে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা বলেন, দেশের কারাগারগুলোর বন্দিদের মধ্যে ৩০.০৪ শতাংশই মাদক কারবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আছে মাদকাসক্ত ও মাদকবহনকারীও। মাদকসম্পৃক্ত এত বিপুলসংখ্যক লোককে কারাগারে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ।

মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সঞ্জয় কুমার চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘চাহিদা ও সরবরাহ কমাতে পারলেই বোঝা যাবে দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা কমছে। আমরা সেটাই করার চেষ্টা করছি।’ এ ক্ষেত্রে জনগণকে আরো বেশি সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকা আহছানিয়া মিশন পরিচালিত মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও তাদের পুনর্বাসন কার্যক্রমের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আহছানিয়া মিশনের সভাপতি কাজী রফিকুল আলম। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ফজলে এলাহী এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশনের পরিচালক ইকবাল মাসুদ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা