kalerkantho

বুধবার । ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩ জুন ২০২০। ১০ শাওয়াল ১৪৪১

’৫২-র ব্যানারে ’৭১-এর যোদ্ধারা!

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি    

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ব্যানারে ভাষাশহীদদের পরিবর্তে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সাত বীরশ্রেষ্ঠর ছবি ব্যবহারের পর এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এমন ঘটনা ঘটেছে। ২১শে ফেব্রুয়ারিতে প্রভাতফেরি নিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ ব্যবহার করেছে বীরশ্রেষ্ঠদের ছবিসংবলিত ব্যানার। এ নিয়ে চলছে সমালোচনা।

বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শোকযাত্রা ও পুষ্পস্তবক অর্পণ কর্মসূচি নেয় সংগীত বিভাগ। এ জন্য ব্যানার তৈরি করা হয়। ব্যানারের মাঝখানে লেখা ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষাশহীদদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।’ এর একপাশে শহীদ মিনার এবং অন্যপাশে সাতটি ছবি। তবে ছবিগুলো ভাষাশহীদ সালাম, বরকত, রফিক কিংবা জব্বারের নয়, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠদের।

ব্যানারটির ছবি গতকাল শনিবার বিকেলে রেজওয়ান হোসাইন নামের আইডি থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার নামের ফেসবুক পেইজে পোস্ট করা হয়। এরপর সেটি ছড়িয়ে পড়ে। রেজওয়ান পোস্টে মন্তব্য লেখেন—‘’৫২ ও ’৭১ কিংবা রফিক, সালাম, বরকতদের সঙ্গে বীরশ্রেষ্ঠদের পার্থক্য, এতটুকু মনে রাখার জন্য কি ইতিহাস নিয়ে পিএইচডি করতে হয়? অথচ আপনারাই নিজেদের দেশের প্রথম শ্রেণির নাগরিক ভাবেন এবং নিজেদের নামের সঙ্গে প্রথম সারির একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যাগ লাগিয়ে চলেন। আবার আপনারাই অন্যদের ব্যানারের ভুল দেখে হাসাহাসি করেন, ট্রল করে মজা নেন। আগে নিজেদের তো শোধরান!’ এই পোস্টে একের পর এক বিরূপ মন্তব্য পড়তে থাকে।

সংগীত বিভাগের সভাপতি দীনবন্ধু পাল বলেন, শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের হাতের ফেস্টুনে বীরশ্রেষ্ঠ, ভাষাশহীদ সবারই ছবি ছিল। কিন্তু ছবি তোলার সময় হয়তো অংশগ্রহণকারীরা ফেস্টুন নামিয়ে নিয়েছিল। তাই হয়তো ভাষাশহীদদের ছবি আসেনি। ব্যানারে ভাষাশহীদদের ছবি না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ব্যানারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ভাষাশহীদ, বীরশ্রেষ্ঠ সবারই ছবি রেখেছিলাম। প্রেসের ভুলে হয়তোবা তাঁদের ছবি আসেনি।’

রাবির উপ-উপাচার্য আনন্দ কুমার সাহা বলেন, ‘আশা করছি তারা আগামী দিনে এ ব্যাপারে সচেতনতা অবলম্বন করবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা