kalerkantho

সোমবার । ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ ফাল্গুন ১৪২৬। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

শপিং মলকে হাসপাতাল বানানোর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শপিং মলকে হাসপাতাল বানানোর অভিযোগ

কনকর্ড আর্কেডিয়া শপিং মল ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন গতকাল সংবাদ সম্মেলন করে।

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে কনকর্ড আর্কেডিয়া শপিং মলে দোকান কিনে বেআইনিভাবে হাসপাতাল বানানোর অভিযোগ উঠেছে ল্যাবএইডের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই মার্কেট মালিক সমিতির সঙ্গে ল্যাবএইড কর্তৃপক্ষের দ্বন্দ্ব চলছে।

কনকর্ড আর্কেডিয়া শপিং মল ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শপিং মলে হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনা করছে ল্যাবএইড। বিভিন্ন সময় বাধা দিয়ে এবং আইনি সহায়তা চেয়েও প্রতিকার পায়নি তারা। বরং গত ২১ জানুয়ারি হাসপাতালের লোকজন ও বহিরাগতরা মিলে মার্কেটে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।

গতকাল বুধবার শপিং মলের নিচতলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সানাউল হক নীরু। তিনি বলেন, ‘রাজউকের লে-আউট প্ল্যান ও ডেভেলপারের ঘোষণা অনুযায়ী শপিং মলটির একটি বেইসমেন্ট, নিচতলা থেকে চতুর্থ তলা পর্যন্ত সেন্ট্রাল এয়ারকন্ডিশনড মার্কেট এবং পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলা অফিসের জন্য বরাদ্দ ছিল।’ তিনি বলেন, ‘পরে আমরা জানতে পারি যে মার্কেটের তৃতীয় ও চতুর্থ তলার মোট ১০২টি দোকান ও পঞ্চম তলার সাত হাজার বর্গফুট অফিস স্পেস কিনে নিয়েছেন ল্যাবএইডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এ এম শামীম। পরে মার্কেটের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম তলার ল্যাবএইডের পাশের অংশ ভেঙে হাসপাতালের সঙ্গে এক করে দেওয়া হয় এবং ওই ফ্লোরগুলোতে সাধারণ ক্রেতা ও মার্কেটের সংশ্লিষ্ট লোকজনের চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। রাজউক চতুর্থ তলা পর্যন্ত মার্কেটের অনুমতি দিলেও ল্যাবএইড জোর করে হাসপাতাল বানিয়ে ফেলছে।’

সানাউল হক নীরু বলেন, ২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি চূড়ান্ত নোটিশের মাধ্যমে শপিং মলের তৃতীয় ও চতুর্থ তলার নকশাবহির্ভূত স্থাপনা ও সংযোগ ব্রিজ নিজ খরচে ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয় ল্যাবএইড কর্তৃপক্ষকে।

সানাউল হক নীরু আরো বলেন, ২০১১ সালের ৩ অক্টোবর মার্কেটের ভূমি মালিক ও ল্যাবএইডের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে অ্যাসোসিয়েশন। শুনানি শেষে ২০১২ সালের ২৬ নভেম্বর মামলাটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন আদালত, যা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। অথচ ল্যাবএইড কর্তৃপক্ষ কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে তাদের কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। বাধা দিতে গেলে বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকিসহ সর্বশেষ শপিং মলে হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়। আমরা আইনগতভাবে এ অচলাবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা