kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৭ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

রংপুর ডাকঘরে সাংবাদিকদের মারধর, সড়ক অবরোধ

রংপুর অফিস   

২৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রংপুর প্রধান ডাকঘরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে গতকাল মঙ্গলবার পাঁচ সাংবাদিককে লাঞ্ছিত ও মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে নগরের কাছারীবাজারের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সাংবাদিকরা। পরে কর্তৃপক্ষ ডাকঘরের অভিযুক্ত চার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রত্যাহার করে নেয়। এর প্রায় তিন ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

পুলিশ ও সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, সকাল ১১টার দিকে একুশে টেলিভিশন ও বাংলা ট্রিবিউনের রংপুর প্রতিনিধি লিয়াকত আলী বাদল ও ক্যামেরাম্যান আলী হায়দার রনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে (তথ্য সংগ্রহ) প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টারের কাছে যান। তখন ডাকঘরের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী বাধা দেন। একপর্যায়ে তাঁরা উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিক বাদলকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। ঘটনা জানাজানি হলে সাংবাদিকরা পোস্ট মাস্টার আলা মিয়ার কাছে বিষয়টি জানতে চান। এ সময় পোস্ট মাস্টারের নির্দেশে ড্রাইভার ফরহাদ হোসেন, কর্মচারী সাহেব আলী, সহকারী পোস্ট মাস্টার শাহানাজ বেগম, পোস্টাল অপারেটর আফরোজা পলিসহ কয়েকজন কর্মচারী সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেন। এতে বাংলা টিভির প্রতিনিধি বাঁধন, দৈনিক করতোয়ার প্রতিনিধি সাজ্জাদ হোসেন বাপ্পি, মাছরাঙা টিভির ক্যামেরাম্যান ফরহাদ হোসেন, এশিয়া টিভির সুমন ও ক্যামেরাম্যান হিমেল আহত হন।

এর প্রতিবাদে রংপুরে কর্মরত সব প্রিন্ট, ইলেকট্রনিকস ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা সড়ক অবরোধ করেন। সেখানে রংপুর প্রেস ক্লাব, রিপোর্টার্স ক্লাব, সিটি প্রেস ক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি, ভিডিও জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন,  মাহিগঞ্জ প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।

খবর পেয়ে পোস্ট অফিসের ডিপিএমজি (ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল) প্রদীপ কুমারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান। তাঁরা অভিযুক্ত শাহনাজ বেগম, আফরোজ পলিসহ চার কর্মচারীকে প্রত্যাহার করে জানান, তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে পোস্ট মাস্টারসহ সবার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে সাংবাদিকরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা