kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ কার্তিক ১৪২৭। ২৭ অক্টোবর ২০২০। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

নগরে আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা থাকবে

তাবিথের ইশতেহার আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নগরে আমূল পরিবর্তনের পরিকল্পনা থাকবে

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল আজ সোমবার তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবেন। গতকাল রবিবার তিনি কালের কণ্ঠকে এ তথ্য জানান। তাবিথ গুলশানের ইমানুয়েল ব্যাংকুয়েট হলে সকাল সাড়ে ১০টায় ইশতেহার ঘোষণা করবেন।

ঢাকা দক্ষিণে ইশরাক হোসেনেরও আজ নিজের ইশতেহার ঘোষণা করার কথা ছিল। তবে তাঁর নির্বাচনী অফিস থেকে জানানো হয়েছে, তিনি কাল মঙ্গলবার ইশতেহার ঘোষণা করবেন।

জানা গেছে, দুই প্রার্থী ইশতেহারে তাঁদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঘোষণার পাশাপাশি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনের বিষয়টি সামনে নিয়ে আসবেন।

সূত্রগুলো বলছে, তাবিথের ইশতেহারে নাগরিকসেবা, নাগরিক বিনোদন ও জনস্বাস্থ্য, যানজট নিরসন ও যোগাযোগব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন, আবাসন, নাগরিক স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাব্যবস্থা, পরিবেশ উন্নয়ন, বনায়ন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার, সমাজসেবা কার্যক্রম, জননিরাপত্তাব্যবস্থা, প্রাকৃতিক দুর্যোগব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয় প্রাধান্য দেবেন।

ইশরাক হোসেন ডেঙ্গু, পানি-শব্দ-বায়ুদূষণ, দুর্নীতি ও দুঃশাসন, বর্জ্যব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা, গণপরিবহনসহ নাগরিকদের প্রতিটি সমস্যা সমান গুরুত্ব দিয়ে ইশতেহারে তুলে ধরবেন।

তাবিথ তাঁর ইশতেহারে বলবেন, নগরীর আসন্ন নির্বাচনকে অন্যায়ের প্রতিকার ও খালেদার মুক্তির আন্দোলনকে বেগবান করার একটি লক্ষ্য হিসেবেও তিনি নিয়েছেন। ভোটাররা তাঁর ভোটটি দিতে পারবেন কি না সেই আশঙ্কার কথাও বলবেন তাবিথ।

গণশুনানির মাধ্যমে নগরবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করা হবে। জন্ম-মৃত্যু সনদ, ট্রেড লাইসেন্স এবং অন্য সব ধরনের সেবা তাত্ক্ষণিক প্রদানের লক্ষ্যে দ্রুত জবাবদিহিমূলক ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা হবে। সেবা প্রদানকারী সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বয়ের মাধ্যমে সুপেয় পানীয় জলের সরবরাহ, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, পয়োনিষ্কাশন আধুনিকায়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। নগরবাসীকে কম দামে বিষমুক্ত ও ভেজালমুক্ত তাজা খাবারের ব্যবস্থা করে দিতে বিশেষ বিশেষ স্থানে ‘কৃষক মার্কেট’ ও ‘নাইট মার্কেট’ স্থাপন করা হবে।

নদী দূষণমুক্ত করা, নদীর তীর রক্ষা ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ, সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্প গ্রহণ এবং নদীভিত্তিক বিনোদনকেন্দ্র, ওয়াটার ট্যুরিজম বা নৌ পর্যটন গড়ে তোলা হবে। রাস্তা পারাপারে প্রয়োজনীয় স্থানে অধিকসংখ্যক ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ, সংরক্ষণ ও সুপরিকল্পিত পরিচালনার ব্যবস্থা করা হবে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা