kalerkantho

শনিবার । ২১ চৈত্র ১৪২৬। ৪ এপ্রিল ২০২০। ৯ শাবান ১৪৪১

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এনআরসি পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধন (এনআরসি) পরিকল্পনা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এই ইস্যুতে বাংলদেশের ওপর কোনো অযাচিত প্রভাব পড়বে না, সে নিশ্চয়তা ভারত সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে বাংলাদেশ সরকারকে দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এ ব্যাপারে ভারতের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এসংক্রান্ত লিখিত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকারি দলের সদস্য অসীম কুমার উকিল। জবাবে মন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান অনস্বীকার্য। বন্ধুপ্রতিম দেশটির সঙ্গে আমাদের প্রতিবেশীসুলভ সুসম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রতি ভারত সরকার তাদের বিভিন্ন প্রদেশে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) ও জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধনের (এনআরসি) পরিকল্পনা নিয়েছে। বাংলাদেশ সিএএকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে মনে করে। একইভাবে বিলটিকে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্ককে ভারতের ঘরোয়া রাজনীতির অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এ ব্যাপারে ভারতের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদকে জানান, বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অভাবনীয় সাফল্যের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিশেষ করে উত্তরোত্তর জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করে যাচ্ছে। তাই বাংলাদেশের নাগরিকদের ভারতে অবৈধ অভিবাসনে কোনো অর্থনৈতিক অনুপ্রেরণাবোধের যৌক্তিকতা নেই। তার পরও সীমান্তে অবৈধ গমনাগমন, চোরাচালান প্রতিরোধসহ সীমান্তবর্তী অপরাধ দমনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বদা কড়া নিরাপত্তা নিয়েছে। বিজিবি সীমান্তসংক্রান্ত অপরাধসহ যেকোনো ধরনের বৈআইনি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সদা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। এর পরও উদ্বেগজনক কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে সীমান্ত ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আসাদুজ্জামান খান জানান, বাংলাদেশে যাতে কেউ অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে বিজিবির অধীনস্থ রিজিয়ন, সেক্টর ও ব্যাটালিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল জোরদার করাসহ গোয়েন্দা ও সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে সীমান্তের আট কিলোমিটারের বাইরেও প্রয়োজনে টাস্কফোর্সের মাধ্যমে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি আরো জানান, সীমান্ত রক্ষা তথা চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তে ৬৯৭টি বিওপি নির্মাণ করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা