kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৬ নভেম্বর ২০২০। ১০ রবিউস সানি ১৪৪২

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছেই

দৌলতপুরের পদ্মা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া   

২৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে প্রভাবশালী একটি মহল। উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচরের নিচে পদ্মা নদী থেকে প্রতিদিন শত শত নৌকা বালুভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে করে উপজেলার ভুরকা ও হাটখোলাপাড়াসহ হুমকির মুখে পড়েছে রায়টা-মহিষকুণ্ডি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। ফিলিপনগর-ইসলামপুর এলাকা রক্ষায় আরসিসি ব্লক দিয়ে নির্মিত স্থায়ী বাঁধও নিরাপদে নেই। অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে ফসলি জমিসহ মানুষের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীনসহ বন্যায় বিস্তীর্ণ এলাকা নতুন করে ভাঙনের মুখে পড়তে পারে।

এলাকাবাসী জানায়, বৈরাগীরচর রিফিউজিপাড়ার হাম্বার খাঁ, বৈরাগীরচর পূর্বপাড়ার নাসির উদ্দিন মেম্বার, ভুরকাপাড়া গ্রামের হেলাল, রাজা সর্দার উজ্জল, শাহীন আলীসহ ১৫ থেকে ২০ জন প্রতিদিন শত শত ট্রলি বালু উত্তোলন করছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি জানানো হলে দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসন পদ্মা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে নিষেধ করে। কিন্তু প্রশাসনের নিষেধ অমান্য করে প্রভাবশালী মহল বালু তোলা অব্যাহত রেখেছে। প্রতিদিন বালু উত্তোলনকারীদের কাছ থেকে প্রভাবশালীরা নৌকাপ্রতি এক হাজার এবং ট্রলিপ্রতি ২০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে। এই টাকার একটি অংশ প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতাদের দেওয়া হয় বলেও জানায় এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী আরো জানিয়েছে, প্রশাসন মাঝেমধ্যে লোক দেখানো অভিযান চালায়। কিন্তু কাউকে আটক কিংবা জরিমানা করা হয় না।

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে এলাকাবাসী স্থানীয় চেয়ারম্যানের সুপারিশসহ দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। উপজেলা চেয়ারম্যান এজাজ আহম্মেদ মামুন বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরই আমি বিষয়টি সমন্বয়সভায় উত্থাপন করেছি। এর পরের খবর আমার জানা নেই।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার বলেন, ‘আমরা একাধিকবার অভিযান চালিয়েছি। তার পরও বালু তোলা অব্যাহত আছে। আমরা অভিযানে গেলে কাউকে পাওয়া যায় না।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা