kalerkantho

শনিবার । ২১ চৈত্র ১৪২৬। ৪ এপ্রিল ২০২০। ৯ শাবান ১৪৪১

সারওয়ার আলীর ওপর হামলা

পরিকল্পনা করেই ডাকাতি করে গাড়িচালক নাজমুল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডা. সারওয়ার আলীর বাসায় ডাকাতির পরিকল্পনা করেছিলেন সাবেক গাড়িচালক শেখ নাজমুল ইসলাম। এর অংশ হিসেবে কয়েক সহযোগীসহ উত্তরার ওই বাসায় গিয়ে গৃহকর্তার ফ্ল্যাটে ঢুকে তিনি নিজেই ডা. সারওয়ারের ওপর হামলা চালান।

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও জাতীয় জাদুঘরের অন্যতম ট্রাস্টি ডা. সারওয়ার আলীর বাসায় হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি তাঁর সাবেক গাড়িচালক নাজমুল পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) জিজ্ঞাসাবাদে এসব কথা বলেছেন।

পিবিআই জানায়, গত ৫ জানুয়ারি রাতে উত্তরায় ডা. সারওয়ার আলী ও তাঁর মেয়ের বাসায় হামলা চালায় নাজমুল ও তাঁর সহযোগীরা। এ ঘটনায় নাজমুলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যরা হলেন শেখ রনি, মনির হোসেন, ফয়সাল কবির ও ফরহাদ। তাঁদের মধ্যে ফরহাদকে ১২ জানুয়ারি এবং অন্যদের গত বুধবার গ্রেপ্তার করা হয়।

নাজমুল বাগেরহাট সদরের পাড়কুর্শাইল গ্রামের শেখ নূরুল আমিনের ছেলে। গ্রেপ্তার অন্যদের মধ্যে শেখ রনি একই গ্রামের শেখ নূরুজ্জামানের ছেলে, ফয়সাল কবির একই গ্রামের মনিরুজ্জামানের ছেলে, মনির ময়মনসিংহের ত্রিশালের বরমা কাকচরের নুর মোহাম্মদের ছেলে এবং ফরহাদ নেত্রকোনার কলমাকান্দার আনন্দপুরের শহীদুল্লাহর ছেলে। এ ঘটনায় জড়িত আল আমিন মল্লিক ও নূর মোহাম্মদ নামে দুজন এখনো পলাতক।

গতকাল বৃহস্পতিবার পিবিআইয়ের সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের ইউনিটটির প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার বলেন, নাজমুল ভাবতেন যে গরিব হওয়ার কারণে তিনি ম্যাডামের সঠিক ব্যবহার পাচ্ছেন না। এ কারণে চাকরি ছেড়ে দেন এবং ওই বাসায় ডাকাতির পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিনি কাজে লাগান চাচাতো ভাই রনি, ভগ্নিপতি আল আমিন, নূর মোহাম্মদ ও ফয়সালকে। আর আজমপুরে থাকা মনির ও ফরহাদকে জনপ্রতি ৫০০ টাকা চুক্তিতে পরিকল্পনায় জড়ান। এমনকি কেউ যাতে চিনতে না পারে সে জন্য নাজমুল টানা তিন মাস দাড়ি-গোঁফ কাটেননি।

গতকাল আদালতে নাজমুল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা