kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩০ আষাঢ় ১৪২৭। ১৪ জুলাই ২০২০। ২২ জিলকদ ১৪৪১

আশুগঞ্জ-আখাউড়া চার লেন জাতীয় মহাসড়ক নির্মাণ

ভারত ঋণ দেবে ১৭ হাজার কোটি টাকা, ত্রিপক্ষীয় চুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



আশুগঞ্জ নদীবন্দর-সরাইল-ধরখার-আখাউড়া স্থলবন্দর চার লেন জাতীয় মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পে ভারত প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে। ভারতের এক্সিম ব্যাংক এ ঋণ দেবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং মহাসড়ক নির্মাণকারী ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এফকন ইনফ্রাস্ট্রাকচার্স লিমিটেড ও ঋণদানকারী ভারতের এক্সিম ব্যাংকের মধ্যে এক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সই হয়। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও  ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাসের উপস্থিতিতে নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিরা চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিশ্বে বিরল। দুই দেশের ছিটমহল বিনিময় থেকেই তার প্রমাণ মেলে। এত শান্তিপূর্ণভাবে এই ছিটমহল বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে, যা বিশাল এক অর্জন। উভয় দেশের মধ্যে কিছু সমস্যা রয়েছে। সেগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা হবে। সমস্যার সমাধানে আমরা দুই পক্ষই কাজ করছি।’

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস বলেন, ‘ভারতের সহযোগিতায় বহির্বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে সর্বাধিক উন্নয়ন কার্যক্রম হচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গে। ৪৬টি প্রকল্প আমরা দুই দেশ মিলে বাস্তবায়ন করছি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রকল্প হচ্ছে রেলওয়ে নিয়ে। আজকের এই মহাসড়ক নির্মাণ চুক্তি সই বাংলাদেশের পাশে থাকারই এক নজির।’ প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে ভারতের আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত চার লেনের মহাসড়ক উন্নয়নে দুই দেশের অংশীদারদের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। তিনটি পর্যায়ের মধ্যে দুটি পর্যায়ে মহাসড়ক নির্মাণের কাজ হবে। এ ছাড়া শেষ পর্যায়ের কাজের জন্য আলাদা চুক্তি করা হবে।  প্রকল্পের প্রথম ধাপে আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে সরাইল পর্যন্ত ১২.২১ কিলোমিটার মহাসড়ক নির্মাণ করা হবে। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় ধরা হয়েছে আরো ১৯ কোটি এক লাখ টাকা।

আশুগঞ্জ নদীবন্দর-সরাইল-ধরখার-আখাউড়া স্থলবন্দর চার লেন জাতীয় মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পে ভারত প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে। ভারতের এক্সিম ব্যাংক এ ঋণ দেবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং মহাসড়ক নির্মাণকারী ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এফকন ইনফ্রাস্ট্রাকচার্স লিমিটেড ও ঋণদানকারী ভারতের এক্সিম ব্যাংকের মধ্যে এক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সই হয়।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও  ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাসের উপস্থিতিতে নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিরা চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিশ্বে বিরল। দুই দেশের ছিটমহল বিনিময় থেকেই তার প্রমাণ মেলে। এত শান্তিপূর্ণভাবে এই ছিটমহল বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে, যা বিশাল এক অর্জন। উভয় দেশের মধ্যে কিছু সমস্যা রয়েছে। সেগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা হবে। সমস্যার সমাধানে আমরা দুই পক্ষই কাজ করছি।’

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস বলেন, ‘ভারতের সহযোগিতায় বহির্বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে সর্বাধিক উন্নয়ন কার্যক্রম হচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গে। ৪৬টি প্রকল্প আমরা দুই দেশ মিলে বাস্তবায়ন করছি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রকল্প হচ্ছে রেলওয়ে নিয়ে। আজকের এই মহাসড়ক নির্মাণ চুক্তি সই বাংলাদেশের পাশে থাকারই এক নজির।’

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে ভারতের আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত চার লেনের মহাসড়ক উন্নয়নে দুই দেশের অংশীদারদের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। তিনটি পর্যায়ের মধ্যে দুটি পর্যায়ে মহাসড়ক নির্মাণের কাজ হবে। এ ছাড়া শেষ পর্যায়ের কাজের জন্য আলাদা চুক্তি করা হবে।

প্রকল্পের প্রথম ধাপে আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে সরাইল পর্যন্ত ১২.২১ কিলোমিটার মহাসড়ক নির্মাণ করা হবে। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় ধরা হয়েছে আরো ১৯ কোটি এক লাখ টাকা।

প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে ধরখার থেকে সরাইল পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটার চার লেন মহাসড়ক নির্মাণ করা হবে। তাতে ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৮৭৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এ অংশে রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয় পাঁচ বছরে ধরা হয়েছে ১১৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

পরামর্শক ব্যয়সহ দুই ধাপে ব্যয় হবে দুই হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা। এ ছাড়া ধরখার থেকে আখাউড়া পর্যন্ত ১১.৩২ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হবে।

গতকাল অনুষ্ঠানে উভয় দেশের সরকারি-বেসরকারি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা