kalerkantho

রবিবার । ২২ চৈত্র ১৪২৬। ৫ এপ্রিল ২০২০। ১০ শাবান ১৪৪১

ফতুল্লায় ফ্ল্যাটে কিশোরীকে ধর্ষণ

অভিযুক্ত ও যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২২ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ফ্ল্যাটে এক কিশোরীকে আটক রেখে ধর্ষণের ঘটনায় এবং অভিযুক্তকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগে যুবলীগ নেতা আনিসুর রহমান শ্যামলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কাশিপুর ইউনিয়নের খিল মার্কেট এলাকার নিজ বাসা থেকে গতকাল মঙ্গলবার ভোরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে সাংবাদিকরা ফতুল্লা মডেল থানার ভেতরে শ্যামলের ছবি তুলতে গেলে সেখানে তাঁর অনুসারীরা সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করেন এবং অনুসারীদের ধাক্কায় একটি ক্যামেরা পড়ে ভেঙে যায়।

শ্যামল কাশিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ইউনিয়নের নুর মোহাম্মদের ছেলে।

ধর্ষণের ঘটনায় সোমবার কিশোরীর মা দুজনের নামে ও অজ্ঞাতপরিচয় তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। গতকাল বিকেলে কাশিপুরের একটি বাসায় পালিয়ে থাকা অবস্থায় ধর্ষণে অভিযুক্ত তুর্যকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি কাশিপুর খিল মার্কেট এলাকার মৃত মনির হোসেনের ছেলে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, কিশোরীটি (১৪) তার বাড়ির কাছে একটি বাড়িতে আরবি পড়ে। সেখানে যাওয়া-আসার পথে প্রায়ই তাকে তুর্য পথ রোধ করে প্রেমের প্রস্তাব দিতেন। এ বিষয়ে কিশোরীর মা-বাবা শ্যামলের কাছে বিচার চান। শ্যামল উল্টো কিশোরীর মা-বাবাকে গালাগাল করে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেন। সর্বশেষ ১৯ জানুয়ারি বিকেলে আরবি পড়তে যাওয়ার পথে কিশোরীকে তুর্য রাস্তা থেকে ধরে তাঁদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরে ফ্ল্যাটের বাইরে দরজায় তালা দেন তুর্যর সহযোগীরা। সেখানে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন তুর্য। কিশোরীকে মা-বাবা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করে না পেয়ে রাত ৯টায় তুর্যর বাড়িতে যান। তখন সেখান থেকে তুর্যর দু-তিনজন সহযোগীকে পালিয়ে যেতে দেখেন তাঁরা। এরপর কিশোরীর কান্নার শব্দ শুনতে পেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করেন। এ সময় শ্যামল দলবলসহ তুর্যর বাড়িতে গিয়ে বিচার করার কথা বলে তাঁর আড্ডাখানায় নিয়ে কিশোরীর মা-বাবাকে দীর্ঘ সময় বসিয়ে রাখেন। এর মধ্যে তুর্য পালিয়ে যান। বিষয়টি কিশোরীর মা-বাবা বুঝতে পেরে থানায় অভিযোগ করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা