kalerkantho

মঙ্গলবার । ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৪ নভেম্বর ২০২০। ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

সংক্ষিপ্ত
কালের কণ্ঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

গাম্বিয়ার করা মামলার রায় নিয়ে আমরা আশাবাদী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



গাম্বিয়ার করা মামলার রায় নিয়ে আমরা আশাবাদী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গা নিয়ে তৈরি সংকট একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ সমস্যার সমাধান মিয়ানমারের মাধ্যমেই আসতে হবে। রোহিঙ্গা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গাম্বিয়ার করা মামলার অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ আগামী ২৩ জানুয়ারি। এ নিয়েও তিনি আশাবাদী। তবে তার পাশাপাশি সরকার দ্বিপক্ষীয়ভাবেও সমস্যা সুরাহার চেষ্টা করছে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান। গতকাল মঙ্গলবার কালের কণ্ঠ ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে নিয়মিত সাপ্তাহিক আয়োজন ‘কালের কণ্ঠ মন্ত্রীর মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা জানান। কালের কণ্ঠ’র জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক পার্থ সারথি দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমার বারবার কথা দিয়েও কথা রাখছে না। অবশেষে এটি আন্তর্জাতিক আদালতে গড়িয়েছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিজে) করা গাম্বিয়ার মামলার শুনানি হয়েছে। আমরা আশা করছি, একটি উপযোগী রায় আসবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বলছে, মিয়ানমারে গণহত্যা হয়েছে। এখন তাঁরা মানবাধিকার লঙ্ঘন করে যাচ্ছে।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আগেও আমাদের দেশে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা এসেছিল। তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সর্বশেষ তারা যে এসেছে তা সংখ্যায় বেশি—প্রায় ১১ লাখ। তাদের ফিরিয়ে দিতে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এটা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে মিয়ানমার থেকে। কাজেই এ সমস্যার সমাধান মিয়ানমারের মাধ্যমেই আসবে। আমরা তাদের বলেছি, রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে হবে। বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু সমস্যা হলো মিয়ানমারের লোকেরাই তাদের লোককে বিশ্বাস করে না। রোহিঙ্গারা তাদের দেশের মানুষকে বিশ্বাস করে না। আমরা কিছু বললেই মিয়ানমার বলে তারা করবে। পরে তারা আর কিছু করে না। আমরা দ্বিপক্ষীয় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। চীনকে সঙ্গে নিয়েও চেষ্টা চালাচ্ছি। সামনে গাম্বিয়ার করা মামলার রায়। এটা নিয়েও আমরা আশাবাদী।’ সরকারের গত এক বছরের কাজকর্মের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ ছিল। চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে আমাদের সামনে এগোতে হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বপ্ন দিয়েছেন, স্বাধীনতা দিয়েছেন, পতাকা দিয়েছেন, পরিচয় দিয়েছেন। আর তাঁর কন্যা জননেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের আত্মপ্রত্যয়ের শক্তি দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন আমাদের মধ্যে ছড়িয়ে গেছে। আমাদের সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। সে জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপরেখা নির্ধারণ করেছেন। ২০২১, ২০৩০, ২০৪১—এই সময়াবদ্ধ কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করছি উন্নয়নের মহাসড়কে যাত্রার কাঙ্ক্ষিত অর্জন লাভের জন্য। সোনার বাংলা গড়তে হবে। এই সোনার বাংলা হচ্ছে একটি অসাম্প্রদায়িক, স্থিতিশীল বাংলাদেশ, যেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সব ক্ষেত্রে অধিকার নিশ্চিত থাকবে।’ আগামী দুই বছর অনেক কর্মসূচি পালন করতে হবে। এগিয়ে যাওয়ার অফুরান সম্ভাবনা রয়েছে এই দুই বছরে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মুজিববর্ষ পালন শুরু করব এই বছর।

মুজিববর্ষে আমরা বঙ্গবন্ধু অ্যাওয়ার্ড দেব।

মন্তব্য