kalerkantho

মঙ্গলবার । ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৪ নভেম্বর ২০২০। ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

নজরদারিতে থাকবে তিন শতাধিক সিসি ক্যামেরা

একুশে বইমেলা ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা প্রস্তুতি ডিএমপির

‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বই মেলায় থাকতে দেওয়া যাবে না’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অমর একুশে বইমেলা ঘিরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। মেলার নিরাপত্তায় পোশাকধারী ও সাদা পোশাকের পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি তিন শতাধিক সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। মেলা প্রাঙ্গণে বাঁশ ও টিন দিয়ে শক্ত বেষ্টনী দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে প্রকাশকদের বলা হয়েছে, প্রতিটি স্টলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বাধ্যতামূলকভাবে রাখতে হবে। মেলা প্রাঙ্গণের প্রতিটি প্রবেশপথে বসানো হবে তল্লাশিচৌকি। বিশেষ করে উগ্র-মৌলবাদী গোষ্ঠীর সদস্যরা যেন মেলায় ছদ্মবেশে প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে বাড়তি নজরদারি থাকবে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় ডিএমপি সদর দপ্তরে অমর একুশে বইমেলার নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত সমন্বয়সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বই মেলায় থাকতে দেওয়া যাবে না জানিয়ে সভায় উপস্থিত ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাাঙ্গণে চলবে অমর একুশে বইমেলা। বইপ্রেমীরা বইয়ের ক্ষুধা বইমেলা থেকে বই কিনে মিটিয়ে থাকেন। সেখানে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বই মেলায় থাকলে নানা মতবিরোধের সৃষ্টি হতে পারে। তাদের নিরাপত্তার দেখভাল করা, যাতায়াত নির্বিঘ্ন করাসহ সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে ভালো থাকে সেই চেষ্টায় সব ধরনের প্রস্তুতির পাশাপাশি বইমেলাকে ঘিরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ যথেষ্ট নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

প্রতিবছরই অমর একুশে বইমেলার আয়োজন করে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ। মেলার সার্বিক পরিবেশ ভালো রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘বইমেলা বাংলা একাডেমি আয়োজন করলেও আমরা এর একটি অংশ হয়ে গেছি। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে বাঙালির প্রাণের মেলা সফলভাবে আয়োজন করে শেষ করতে পারব। আপনারা যেকোনো পরিস্থিতিতে পুলিশের সহযোগিতা নেবেন।’ বাংলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, এবারের বইমেলায় ৫৩৮টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বইমেলায় ৪১১টি প্রতিষ্ঠান ও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১২৭টি প্রতিষ্ঠান মিলে মোট ৮৭২টি ইউনিটে বুক স্টল দেবে। এ ছাড়া বইমেলা প্রাঙ্গণে থাকছে শিশু চত্বর, মসজিদ, টয়লেট ব্যবস্থাপনা, ফুড পার্ক ও প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র।

মন্তব্য