kalerkantho

শনিবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

অতিথি পাখি শিকার

ঠেকাতে নির্দেশ পাবনার ডিসি এসপিকে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অতিথি পাখি শিকার রোধ করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পাবনার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সারা দেশে অতিথি পাখিসহ বন্যপ্রাণী রক্ষায় জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনায় পদক্ষেপ নিতে তথ্য ও বন সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল রবিবার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই আদেশ দেন। ‘সুজানগরে অবাধে অতিথি পাখি নিধন’ শিরোনামে গতকাল একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে ওই আদেশ দেন আদালত। অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনার পাশাপাশি আদালত রুল জারি করেন।

প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আইনুন্নাহার সিদ্দিকা লিপি। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, পাবনার সুজানগরে অবাধে অতিথি পাখি নিধন করা হচ্ছে। এক শ্রেণির অসাধু পাখি শিকারিসহ কিছু শৌখিন শিকারি এই অনৈতিক কাজ করছেন। প্রতিবছর শীতের মৌসুমে সুদূর সাইবেরিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন শীতপ্রধান দেশ থেকে রাজহাঁস, চখা, পানকৌড়ি, পাতিহাঁস, কাজলাদিঘিসহ বিভিন্ন জাতের অতিথি পাখি একটু নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটে আসে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গাজনার বিলসহ পদ্মার চরাঞ্চলে। এ বছরও শীতের শুরুতেই ওই সব পাখি গাজনার বিল, পদ্মার চরাঞ্চলসহ আশপাশের বিলে আশ্রয় নিয়েছে। বিলপারের শারীরভিটা গ্রামের বাসিন্দা বাদশা শেখ জানান, মাঝেমধ্যেই শিকারিরা বিলে কারেন্ট জালের ফাঁদ পেতে নির্বিঘ্নে অতিথি পাখি শিকার করছেন। শিকারিরা কখনো দিনে আবার কখনো রাতে পাখি শিকার করে স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করে থাকেন। সেই সঙ্গে শৌখিন শিকারিরাও মাঝেমধ্যে তাঁদের বৈধ বন্দুক দিয়ে বিল ও চরাঞ্চল থেকে অতিথি পাখি শিকার করছেন। শৌখিন শিকারিরা অতিথি পাখির পাশাপাশি গ্রামগঞ্জে ঘুরে দেশি পাখিও শিকার করে থাকেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা