kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৬ চৈত্র ১৪২৬। ৯ এপ্রিল ২০২০। ১৪ শাবান ১৪৪১

নৌকার পক্ষে মাঠে চলচ্চিত্রশিল্পীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলামের পক্ষে জোরালো প্রচারে নেমেছেন চলচ্চিত্রশিল্পীরা। গতকাল শনিবার এবং আগের দিন শুক্রবার নৌকার পক্ষে গণসংযোগ ও জনসভায় বক্তব্য দিতে দেখা গেছে বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় চলচ্চিত্রশিল্পীকে। আতিকের গাড়িবহরেও ছিলেন বেশ কয়েকজন শিল্পী।

নৌকার পক্ষে গণসংযোগে নেমেছেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্রশিল্পী ফেরদৌস আহমেদ, শমী কায়সার, তানভীন সুইটি, মীর সাব্বির ও মাজনুন মিজান। তাঁদের মধ্যে আতিকুল ইসলামের গাড়িবহরে সার্বক্ষণিক ছিলেন নায়ক ফেরদৌস। গত শুক্রবার রাজধানীর ভাসানটেক ও মানিকদি এলাকায় আতিকের জনসভায় বক্তব্য দেন ফেরদৌস। এ ছাড়া প্রচারপত্র হাতে নৌকার পক্ষে রাজধানীর কড়াইল বস্তি এলাকায় ভোট চেয়েছেন শমী কায়সার, মীর সাব্বির, তানভীন সুইটি ও মাজনুন মিজান। ওই সময় উপস্থিত ছিলেন আতিকুল ইসলামের সহধর্মিণী শায়লা সাগুপ্তা ইসলাম। বাসযোগ্য ঢাকা গঠনের জন্য নৌকায় ভোট দিয়ে আবারও আতিককে বিজয়ী করতে বস্তিবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার চেয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাওয়ার বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে আতিকুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারে। বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে ঢোকার সুযোগ না থাকলেও বেশ কয়েকটি বাড়ির ফটকে ঢুকে প্রচারপত্র বিলি করেছেন আতিকুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এ ছাড়া প্রবীণ ভোটারদের সঙ্গে আলিঙ্গন, কুশলবিনিময় এবং নিম্নবিত্ত মানুষকে গণসংযোগে সম্পৃক্ত করে প্রচারের কৌশল নিয়েছেন আতিক। গণসংযোগকালে স্বল্প সময়ের জন্য তিনি মিশে যান শিশুদের সঙ্গে। তাঁকে কাছে পেয়ে শিশুরাও আনন্দে মেতে ওঠে। গতকাল শনিবার কচুক্ষেত, কাফরুল, শেওড়াপাড়া, সেনপাড়া পর্বতা ও ইব্রাহীমপুর এলাকায় একই কৌশলে ভোট চেয়েছেন আতিক।

আতিকুল ইসলামের সহধর্মিণী শায়লা সাগুপ্তা ইসলাম বস্তিবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘৯ মাস মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আতিক। তিনি এই ৯ মাস কাজের মধ্যে ছিলেন। সিটি করপোরেশন নিয়ে তাঁর আরো অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। অনেক কাজ তিনি শুরু করলেও শেষ করতে পারেননি। অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে নৌকা প্রতীকে তাঁকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার অনুরোধ জানাই আপনাদের কাছে।’

এদিকে মেয়র পদে নির্বাচিত হলে ঢাকাকে স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আতিকুল ইসলাম। অ্যাপনির্ভর সেবা চালু করতে তাঁর বিশেষ আগ্রহের কথা জানান ভোটারদের। এ ছাড়া যানজট নিরসন এবং গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনয়নে সাবেক মেয়র প্রয়াত আনিসুল হকের মডেল অনুসারে ছয়টি কম্পানির মাধ্যমে সব বাস নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। আনিসুল হকের পরিকল্পনার ইউ লুপ প্রকল্পটি আবার চালু করার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তিনি।  

কচুক্ষেতে স্বাধীনতা চত্বরের সামনে জনসভায় আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘সবার ঢাকা নামে একটি অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার তিন মাসের মধ্যে অ্যাপটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। প্রয়োজনীয়সংখ্যক ইউ লুপ এবং যাত্রীছাউনি তৈরি করব নগরবাসীর জন্য।’

গতকাল আতিকুলের জনসভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা খানম, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জামাল মোস্তফা এবং ভাসানটেক, কাফরুল ও ক্যান্টনমেন্ট থানা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা