kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জানুয়ারি ২০২০। ১৪ মাঘ ১৪২৬। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

মেঘনায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষ নিহত ২

বরিশাল অফিস   

১৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেঘনায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষ নিহত ২

মেঘনার মাঝেরচর এলাকায় রবিবার মধ্যরাতে কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের মাঝ বরাবর আঘাত করে ফারহান-৯। এতে কীর্তনখোলা লঞ্চের নিচতলা ও দোতলার বেশ কিছু অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। ছবি : কালের কণ্ঠ

মেঘনা নদীতে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে মা-ছেলের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে উভয় লঞ্চের অন্তত ১২ যাত্রী। গত রবিবার রাত ১টার দিকে মাঝেরচর এলাকায় ‘এমভি কীর্তনখোলা-১০’ ও ‘এমভি ফারহান-৯’ লঞ্চের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় ফারহান-৯-এর মাস্টার ও চালককে (সুকানি) আটক করেছে পুলিশ। করা হয়েছে চার সদস্যের তদন্ত কমিটিও।

নিহতরা হলো বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গাড়ুরিয়া ইউনিয়নের ভাণ্ডারিকাঠি গ্রামের রুবেল খান আব্বাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মাহমুদা বেগম (২৪) ও তাঁর ছেলে মুমিন খান (৭)।

কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চটি বরিশাল থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে ঢাকা থেকে পিরোজপুরের হুলারহাট যাচ্ছিল ফারহান-৯।

বিআইডাব্লিউটিএর কর্মকর্তারা জানান, মেঘনা নদীর বরিশাল ও চাঁদপুরের সীমান্তবর্তী মাঝেরচর এলাকায় কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের মাঝ বরাবর আঘাত করে ফারহান-৯। এতে কীর্তনখোলা লঞ্চের নিচতলা ও দোতলার বেশ কিছু অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। আহতদের চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মাহমুদা ও তাঁর ছেলে মুমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের মাস্টার নুরুল ইসলাম জানান, ঘন কুয়াশার কারণে তাঁদের লঞ্চ মাঝেরচরে নোঙর করা ছিল। ওই সময় বিপরীত দিকে থেকে আসা ফারহান-৯ তাঁদের লঞ্চের মাঝ বরাবর সজোরে আঘাত করে।

কীর্তনখোলা লঞ্চ কম্পানির ব্যবস্থাপক মো. বেল্লাল হোসেন অভিযোগ করেন, ফারহান-৯ লঞ্চে কোনো আধুনিক যন্ত্রপাতি না থাকায় কুয়াশার মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

বরিশাল নদীবন্দর কর্মকর্তা আজমল হুদা সরকার মিঠু বলেন, দুর্ঘটনার কারণ জানতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। সাত কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

পিরোজপুর সদর থানার ওসি নুরুল ইসলাম বাদল জানান, ফারহান-৯-এর মাস্টার আফতাব হোসেন ও সুকানি (চালক) আব্দুল হামিদকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বিকেলে পিরোজপুর সদর থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা