kalerkantho

শনিবার । ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৬ জুন ২০২০। ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

পিলখানা হত্যাযজ্ঞ

প্রকাশ হয়নি হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়

২৯০৫৯ পৃষ্ঠার রায় আজ সকালে ♦ সিনিয়র বিচারপতি অবসরে যাবেন কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রকাশ হয়নি হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়

বহুল আলোচিত বিডিআর বিদ্রোহের সময় পিলখানায় সংঘটিত নির্মম হত্যাযজ্ঞের মামলায় হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়নি। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিনউদ্দিন মানিক জানিয়েছেন, আজ বুধবার সকালে এ রায় প্রকাশিত হবে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় লেখা শেষ হয়েছে। বাংলা ও ইংরেজির মিশেলে এ রায় ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার বলে জানা গেছে। হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চের বিচারক বিচারপতি মো. শওকত হোসেন, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার আজ সকালে রায়ে সই করার পর তা সুপ্রিম কোর্টের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে ১৩৯ জনকে ফাঁসি, ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

বেঞ্চের সিনিয়র বিচারপতি মো. শওকত হোসেন আগামীকাল বৃহস্পতিবার অবসরে যাচ্ছেন। ওই দিন তাঁর বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হবে।

জানা গেছে, প্রথমে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের সিনিয়র বিচারপতি মো. শওকত হোসেন মূল রায় লেখেন। তিনি প্রায় সাড়ে ১১ হাজার পৃষ্ঠার রায় লিখে বেঞ্চের অন্য দুই বিচারপতির কাছে পাঠান। এরপর বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী আলাদাভাবে তাঁর অংশ লিখেছেন। তিনিও প্রায় ১৬ হাজার পৃষ্ঠা লিখেছেন। দুই বিচারপতির সম্মিলিত রায় হয়েছে ২৭ হাজার ৯৫৯ পৃষ্ঠা। এরপর সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার লিখেছেন এক হাজার ১০০ পৃষ্ঠা। এই তিনজনের লেখা রায় একত্র করে তা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গিয়েছিল, এই পূর্ণাঙ্গ রায় গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রায়ে যাতে কোনো ভুলত্রুটি না থাকে সে জন্য গতকাল প্রকাশের আগে তা আবার খুঁটিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেন বিচারকরা। এ অবস্থায় বিচারকরা চূড়ান্তভাবে যাচাই করছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা