kalerkantho

বুধবার । ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩ জুন ২০২০। ১০ শাওয়াল ১৪৪১

প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরি করবে মিয়ানমার আশা রাষ্ট্রপতির

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সহায়ক পরিবেশ তৈরি করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। গতকাল সোমবার মিয়ানমারের নতুন রাষ্ট্রদূত উ অং কিয়াও মোই বঙ্গভবনে পরিচয়পত্র পেশ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আশার কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, মিয়ানমার বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ। বাংলাদেশ সব সময় প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য বড় সমস্যা। বাংলাদেশ এ সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাসী।’ আবদুল হামিদ আশা প্রকাশ করেন, মিয়ানমার এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি করবে, যাতে বিতাড়িত রোহিঙ্গারা স্বস্তিতে ও সসম্মানে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে।

মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্পর্ক যে বহুদিনের এবং এর সম্ভাবনাও যে যথেষ্ট উজ্জ্বল, সে কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি হামিদ এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে রাষ্ট্রদূতকে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দেন।

মিয়ানমারের নতুন দূত বলেন, তিনিও বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্পর্ক সম্প্রসারণে কাজ করতে আগ্রহী। বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

এর আগে ভিয়েতনামের নতুন রাষ্ট্রদূত ফাম ভিয়েত চিয়েন রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র দেন। রাষ্ট্রপতি তাঁকে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভিয়েতনামের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। ২০১৮ সালে ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ত্রান দাই কোয়াংয়ের বাংলাদেশ সফর দুই

দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

দুই দেশের বাণিজ্য এরই মধ্যে এক বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে এবং তা আরো বাড়ার যথেষ্ট সুযোগ আছে মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি বলেন, নতুন রাষ্ট্রদূত এ লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রয়াস চালাবেন বলে তিনি আশা করছেন।

ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত বলেন, তাঁর দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে খুবই গুরুত্ব দেয়। এই সম্পর্ক ক্রমান্বয়ে আরো দৃঢ় হচ্ছে।

পরে রাশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত কামরুল আহসান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সূত্র : বিডিনিউজ।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা