kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

তেলশূন্য পার্বতীপুরে রেলহেড অয়েল ডিপো

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি   

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) আওতাধীন দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপো জ্বালানি তেলশূন্য হয়ে পড়েছে। এ কারণে গতকাল রবিবার সারা দিন এ ডিপো থেকে ডিজেল সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ এবং কিছু পরিমাণে পেট্রল ও কেরোসিন সরবরাহ করা সম্ভব হয়। রেলওয়ের অবহেলা ও পূর্বসতর্কতার অভাব এবং খুলনায় রেললাইনের ওপর পাটকল শ্রমিকদের অনশন ধর্মঘটের কারণে সময়মতো তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

ডিপো সূত্র জানায়, পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা—এই তিন কম্পানির পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোর সংরক্ষণাগারে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে, তা বিক্রয় অযোগ্য। এই তিন কম্পানির জ্বালানি তেল চাহিদার বিপরীতে সরবরাহের পরিমাণ গড়ে প্রতিদিন ১৮ লাখ লিটার। আর রেলহেড অয়েল ডিপোতে পেট্রল, কেরোসিন ও ডিজেল সব মিলিয়ে মজুদ থাকার কথা দেড় কোটি লিটার।

এর মধ্যে বিক্রি অযোগ্য বা ডেড স্টক জ্বালানি তেলের পরিমাণ হচ্ছে মেঘনা অয়েল ডিপো কম্পানিতে পেট্রল এক লাখ ৪২ হাজার লিটার, কেরোসিন ৩১ হাজার লিটার এবং ডিজেল তিন লাখ ৫৮ হাজার লিটার। যমুনায় পেট্রল ১৫ হাজার লিটার, কেরোসিন এক লাখ ৯৭ হাজার লিটার এবং ডিজেল তিন লাখ ১৫ হাজার লিটার। পদ্মা অয়েল ডিপোতে পেট্রল ১৬ হাজার লিটার, কেরোসিন ৬৪ হাজার লিটার এবং ডিজেল তিন লাখ ১২ হাজার লিটার মজুদ আছে। ফলে প্রকৃত মজুদ আরো কমে যায়।

গত ১২ ডিসেম্বর তিন ডিপো থেকে দুই লাখ আট হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল, ৩৯ হাজার লিটার কেরোসিন এবং ১২ লাখ ১২ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। এসব জ্বালানি তেল উত্তরের আট জেলার ৬০০ পাম্প ও ২০০ এজেন্টের কাছে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। জ্বালানি সংকটের কারণে গতকাল পঞ্চগড় ও দিনাজপুরের বেশির ভাগ এজেন্ট তেল সংগ্রহের জন্য বাঘাবাড়ী ঘাট ডিপোতে গেছেন বলে অফিস সূত্রে বলা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা