kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

তামাবিল সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশে বাধা

সিলেট অফিস   

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিলেটের তামাবিলের ডাউকি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ঢুকতে দিচ্ছে না সে দেশের ইমিগ্রেশন। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে ভারতগামী যাত্রীদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নাগরিকত্ব বিল নিয়ে উত্তেজনার পর মেঘালয়, আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে কারফিউ জারির কারণে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ভারতীয় কাস্টমসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। কারফিউ থাকায় আজ শনিবারও ডাউকি দিয়ে যাতায়াত বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন তামাবিল ইমিগ্রেশনের ইনচার্জ মওদুদ আহমাদ রুমি।

রুমি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভারতের তিনটি রাজ্যে কারফিউ থাকার কারণে যাত্রীদের না ছাড়তে ভারতীয় ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে আমাদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এরপর আমরা যাত্রী ছাড়ছি না।’ কবে নাগাদ এই স্থলবন্দর দিয়ে যাত্রী চলাচল শুরু হবে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আগামীকাল (শনিবার) পর্যন্ত যেহেতু কারফিউ থাকবে সেহেতু এ সময় বন্ধ থাকবে। পরশু (রবিবার) সেখানকার অবস্থার ওপর নির্ভর করবে যাতায়াত শুরু হবে কি না।’

এদিকে পূর্ব ঘোষণা ছাড়া হঠাৎ করে ডাউকি সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ায় ভারত গমনেচ্ছু শতাধিক যাত্রী বিড়ন্বনায় পড়েন। ডাউকি সীমান্ত দিয়ে ভারতে বেড়াতে যাবেন বলে সকালে ডাউকি ইমিগ্রেশনে স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে হাজির হন বিয়ানীবাজারের জাকির হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমি এসেছি সাড়ে ১০টার দিকে। এসেই পরিবেশ একটু অন্য রকম মনে হয়েছে। অনেকক্ষণ অপেক্ষার পর জানতে পারলাম কারফিউর কারণে ভারতে প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি আগে জানানো হলেও এত দূর থেকে এসে এই ভোগন্তিতে পড়তাম না।’

সিলেটের তামাবিল ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, সকালে প্রায় ৭০-৮০ জন যাত্রী ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে ভারতের উদ্দেশে যায়। তবে কিচ্ছুক্ষণ পরই তারা ভারতের কাস্টমস থেকে ফিরে আসে। তাদের যেতে দেওয়া হচ্ছে না বলে তারা আমাদের জানায়।’ তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশি যাত্রীদের ফিরিয়ে দেওয়ার কিছুক্ষণ পর ভারতীয় কাস্টমসের এক কর্মকর্তা এসে আমাদের বিষয়টি অবগত করে বলেন, মেঘালয়ের অস্থিরতার কারণে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না এবং আজকে (শুক্রবার) আর যাত্রী না ছাড়তে আমাদের অনুরোধ করেন। এরপর থেকে আমরাও আর কোনো বাংলাদেশিকে পাস দিচ্ছি না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা