kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

১১ প্রকৌশলীসহ ১৩ জন কারাগারে

রূপপুরে বালিশকাণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১১ প্রকৌশলীসহ ১৩ জন কারাগারে

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের টেন্ডারে গুরুতর দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের গতকাল আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে বালিশকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে পাবনা থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ১১ প্রকৌশলী ও দুই ঠিকাদারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গতকাল দুর্নীতি দমন কমিশন আসামিদের আদালতে হাজির করে। তাঁদের মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসির আদালতে নেওয়া হয়। আদালত প্রত্যেককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দুজন ঠিকাদারের পক্ষে জামিনের আবেদন জানান তাঁদের আইনজীবীরা। দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আবদুস সালাম ও মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জামিনের বিরোধিতা করেন। আদালত উভয়ের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

যাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে তাঁরা হলেন পাবনা গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলম, উপসহকারী প্রকৌশলী সুমন কুমার নন্দী, আবু সাঈদ, জাহিদুল কবির, শফিকুল ইসলাম ও রওশন আলী; উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল, তাহাজ্জুদ হোসেন, আহমেদ সাজ্জাদ খান, সহকারী

প্রকৌশলী তারেক খান ও আমিনুল ইসলাম এবং ঠিকাদার আসিফ হোসেন ও শাহাদাত হোসেন।

এর আগে গতকাল ঢাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে দুদকের একটি টিম। এর আগে গত ৬ নভেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয়ে মাসুদুল আলমসহ সাত প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। পরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে পাবনায় দুদক পৃথক চারটি মামলা দায়ের করে। উল্লেখ্য, রূপপুরের বালিশকাণ্ড দুর্নীতি দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় দুদকের করা মামলায় বলা হয়, বিভিন্ন টেন্ডারের আড়ালে সরকারের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটিয়েছেন উল্লিখিত ব্যক্তিরা।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা