kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

সমন্বয় হবে নদীতীরের অননুমোদিত মসজিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকা, টঙ্গী ও নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও ধলেশ্বরী নদীর তীরভূমিতে অননুমোদিতভাবে গড়ে ওঠা মসজিদ অন্য জায়গার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করে মসজিদগুলো সমন্বয়ের লক্ষ্যে উপকমিটি গঠন করা হবে।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডাব্লিউটিএ) এসংক্রান্ত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় জানানো হয়, ঢাকা, টঙ্গী ও নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও ধলেশ্বরী নদীর ফোরশের-তীরভূমিতে (বৃত্তাকার নৌপথ অংশে) অননুমোতিভাবে ১১৩টি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ৭৭টি মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা ও মাজার; পাঁচটি কবরস্থান ও মৃত ব্যক্তির গোসলখানা; একটি ঈদগাহ; ১৪টি স্কুল ও কলেজ; ১৩টি স্নানঘাট, মন্দির ও শ্মশানঘাট এবং তিনটি অন্যান্য স্থাপনা।

সভায় আরো জানানো হয়, নতুনভাবে তৈরি করে দেওয়া মসজিদগুলো সৌন্দর্যমণ্ডিত হবে। সুন্দর স্থাপত্য নকশা থাকবে। এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা দরকার।

সভায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিবসহ আলেমদের সঙ্গে এসব বিষয়ে এর আগে বৈঠক হয়েছে। তাঁরা বলেছেন, কোথায় মসজিদ নির্মাণ করা যাবে, আর কোথায় করা যাবে না। এর ভিত্তিতেই আমরা এ ধরনের মসজিদগুলো সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা