kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

‘উপাচার্যের দুর্নীতির খতিয়ান’ প্রকাশ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘উপাচার্যের দুর্নীতির খতিয়ান’ প্রকাশ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘উপাচার্যের দুর্নীতির খতিয়ান’ শীর্ষক একটি বই প্রকাশ করেছেন উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনকারীরা। তাঁরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, দপ্তর ও ইনস্টিটিউট থেকে প্রাপ্ত তথ্য, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথন এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে বইটি করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় কলা ও মানবিক অনুষদের শিক্ষক লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বইটি সবার সামনে তুলে ধরা হয়। এ বইয়ের কপি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

তাঁরা জানান, ‘আরো যেসব তথ্য-উপাত্ত রয়েছে, আগামীতে আরো একটি বই প্রকাশ করা হবে।’ সংবাদ সম্মেলনে সাত দফা জানিয়ে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের ইশতেহার ঘোষণা করেন আন্দোলনাকারীরা।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন রুনু বলেন, ‘উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর একনেক সভাকে কলঙ্কিত করেছেন। তিনি নিয়মতান্ত্রিকভাবে অনিয়ম করে যাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়নের জন্য একটা বড় বাজেট আসার পরেই তাঁর আসল রূপ বেরিয়ে আসে। যখন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তখনই তিনি হামলা-মামলা দিয়েছেন।’

২২৪ পৃষ্ঠার এই বইয়ে আন্দোলনকারীরা উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের মধ্যস্থতায় তাঁর বাসভবনে শাখা ছাত্রলীগকে উন্নয়ন প্রকল্প থেকে দুই কোটি টাকা ভাগ-বাটোয়ারা, ছাত্রলীগ নেতাদের টাকা পাওয়ার স্বীকারোক্তি, ই-টেন্ডার না করে ম্যানুয়াল টেন্ডার আহ্বান করা, নির্দিষ্ট কিছু কম্পানিকে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি কম্পানির টেন্ডার শিডিউল ছিনতাই করানো, অভিযোগের পরও সে ঘটনার তদন্ত না করা, নিয়মবহির্ভূতভাবে উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারীকে (পিএস) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের তদারক কমিটিতে রাখা ইত্যাদি অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা