kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

রাজধানীতে টিআইবির মানববন্ধন

ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি

আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উপলক্ষে গতকাল সংসদ ভবনের সামনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) উদ্যোগে মানববন্ধন করা হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

সব ধরনের ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে সরকারের চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবসকে সামনে রেখে গতকাল রবিবার বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে (জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে) আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এই দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে এবারের দুর্নীতিবিরোধী দিবস বিশেষ প্রেক্ষাপটে উদ্যাপিত হচ্ছে। কারণ সরকার দুর্নীতিরবিরোধী রাজনৈতিক অঙ্গীকারের পাশাপাশি বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। সরকারের নিজ দলের নেতাকর্মীদের এই অভিযানের আওতায় আনা হয়েছে। রাষ্ট্রকে দুর্নীতিমুক্ত করতে এই অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘দুর্নীতি প্রতিরোধে দুনীতি দমন কমিশনকে (দুদক) শক্তিশালী করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে সব ধরনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। আর দুদকের নেতৃত্বকে সৎ, সাহসী ও দক্ষতাসম্পন্ন হতে হবে। তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।’ একই সঙ্গে ব্যাপক সচেতনতা গড়ে তোলার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মানববন্ধন থেকে দুর্নীতি বন্ধে ১০টি সুপারিশ তুলে ধরে তা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণেরও আহ্বান জানানো হয়। সুপারিশে বলা হয়, চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের বাস্তব সুফল নিশ্চিত করতে যেকোনো প্রকার ভয় বা করুণার ঊর্ধ্বে থেকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না’ এই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণ, গণমাধ্যম ও বেসরকারি সংগঠনগুলো যাতে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে পারে তার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। সব নাগরিকের বাক্স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিতর্কিত ধারাগুলো বাতিল করতে হবে।

আরো বলা হয়েছে, সরকারি খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে ‘সরকারি চাকরি আইন-২০১৮’-এর বিতর্কিত ধারাগুলো বাতিল করতে হবে। এ ছাড়া বিচারব্যবস্থা, প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পেশাদারির পাশাপাশি উৎকর্ষ-কার্যকারিতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা