kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

অপহরণের পর কিশোরীকে ‘ধর্ষণ’

ঝালকাঠি ও ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি   

৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঝালকাঠিতে এক কিশোরীকে (১৩) অপহরণের পর বেশ কিছুদিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এর আগে কিশোরীকে ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ এবং তা ইন্টারনেটে ছাড়ার হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। অভিযুক্ত প্রভাবশালীর ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না নির্যাতিতা কিশোরী ও তার পরিবার। এ ঘটনায় থানায় মামলা না করতেও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। এতে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

এমদাদুল থলপহরীর বাড়ি সদর উপজেলার বাউকাঠি গ্রামে। তিনি স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আমজেদ আলী থলপহরীর ছেলে।

নির্যাতিতা কিশোরী জানায়, গত ১৫ নভেম্বর গ্রামের বাড়ি থেকে ফুফুর বাড়ি যাচ্ছিল ওই কিশোরী। এ সময় নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য এমদাদুল থলপহরী কিশোরীকে জোর করে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়সংলগ্ন বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা এমদাদুলের এক আত্মীয় মোবাইল ফোনে ভিডিও করে। এমদাদুল ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে এমদাদুল ওই কিশোরীকে অপহরণ করে বাকেরগঞ্জের বোয়ালিয়া গ্রামে ফাতেমা নামের এক নারীর বাসায় আটকে রেখে ধর্ষণ করতেন। ফাতেমা অন্য পুরুষ এনেও কিশোরীকে নির্যাতন করাতেন।

মেয়েটির মা বলেন, ‘আমার মেয়ে সব কিছু পুলিশের কাছে অভিযোগ করলেও পুলিশ তেমন কোনো গুরুত্ব দেয়নি। এমদাদুল প্রভাবশালী, আমরা গরিব মানুষ। আমার মেয়ের সঙ্গে যে অন্যায় করা হয়েছে, আমরা তার বিচার চাই।’ এমদাদুলের বাবা আমজেদ আলী থলপহরী বলেন, ‘আমাকে ওসি সাহেব থানায় ডেকেছিলেন। আমি মেয়েটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে বলেছি। ধর্ষণের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা