kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

শিল্পকলায় পার্বত্য মেলা শুরু

মেলায় বাহারি পোশাকের পাশাপাশি রয়েছে পাহাড়ের নানা স্বাদের খাবার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেলায় বাহারি পোশাকের পাশাপাশি রয়েছে পাহাড়ের নানা স্বাদের খাবার

রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে গতকাল থেকে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী পার্বত্য মেলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবন-সংস্কৃতি, পোশাক-পরিচ্ছদ, ইতিহাস-ঐতিহ্য বিষয়ক তথ্যাদি সমতলের মানুষের মাঝে পরিচয় করিয়ে দিতে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে সেগুনবাগিচার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত মাঠে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী ‘পার্বত্য মেলা ২০১৯’। মেলার আয়োজক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মেলায় রয়েছে শতাধিক স্টল। স্টলগুলোতে রয়েছে পার্বত্য এলাকার মানুষের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপকরণ। বাহারি পোশাকের পাশাপাশি রয়েছে পাহাড়ের নানা স্বাদের খাবার।

বিকেলে এ মেলা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিংয়ের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন দীপঙ্কর তালুকদার এমপি, বাসন্তী চাকমা এমপি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ড. গওহর রিজভী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সময় পার্বত্য এলাকায় অনেক উন্নতি হয়েছে। এই ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। পার্বত্য এলাকার মানুষ যেন দেশের অগ্রগতির সাথে সমানতালে চলতে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার।’

মেলা ঘুরে দেখা যায়, পাহাড়ি কলা, কমলা, বিন্নি চাল, ভুট্টা, তেজপাতা, আলু, জুমের সরিষা, কাজুবাদাম, মধু, তেঁতুল, জলপাই, শুঁটকি, হাতে বোনা কাপড়সহ পার্বত্য এলাকার হস্তশিল্প এবং কৃষিজ নানা কিছুর সমাহার। পাহাড়ের তরতাজা ফলফলাদি, খাবার ও পোশাকে ভরা পুরো মেলা। পাহাড়ি কাঁচা হলুদ, কফি, লাল, কালো ও সাদা বিন্নি চাল। পাহাড়ি আখ, সেই আখের তৈরি গুড়সহ বিভিন্ন রকম পিঠা। পোশাকের মধ্যে লুঙ্গি-গামছা থেকে শুরু করে বিছানা, গায়ের চাদর, ফতুয়া, খামির বাহার রয়েছে। অলংকারের মধ্যে রয়েছে হাঁসুলি, ঝুমকা, চোকার, নানা ধরনের মালা ও ব্রেসলেট। মেলায় দেখা গেল বিভিন্ন ধরনের পণ্যসহ ঝুড়ি। এ ছাড়া আছে নানা আসবাব। বাঁশ ও বেতের তৈরি সুদৃশ্য আসবাবপত্র। সব মিলিয়ে পাহাড়ের নানা জনগোষ্ঠীর বিপুল পণ্যের অপূর্ব সমাহার।

পার্বত্য মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের শিল্পীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। পার্বত্য মেলা আয়োজনে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), বিশ্ব খাদ্য সংস্থা (এফএও), মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, কারিতাস, পদক্ষেপ ও বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ক্লাব সার্বিক সহযোগিতা করছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা